advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইবি অচলের হুমকি সাবেক ছাত্রলীগ নেতার

ইবি প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১০
advertisement

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত শিক্ষকদের সভা প- করে দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক (বর্তমানে বহিরাগত) শিশির ইসলাম বাবু। এ সময় উপাচার্যকে ক্যাম্পাস অচল করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। বাবু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৩-১৪ (মাস্টার্স) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। উপাচার্যের সভাকক্ষে গতকাল বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা নির্দেশিত ‘বার্ষিক কর্ম সম্পাদনা চুক্তি’ বিষয়ে সভা চলছিল। এ সময় শিশির বাবু ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী নিয়ে প্রবেশ করেন। তখন উপস্থিত শিক্ষকরা ছাত্রলীগ কর্মীদের সভা চলাকালে কথা না বলে পরে আসতে বলেন। ওই সময় উত্তেজিত হয়ে বাবু উপাচার্যকে শাখা ছাত্রলীগের সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে বহিষ্কার করতে চাপ দেন। বাগবিতা-ার একপর্যায়ে রাকিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেওয়ার হুমকি দেন বাবু।

এ ঘটনায় কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সরওয়ার মুর্শেদসহ শিক্ষকরা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করে তৎক্ষণাত প্রতিবাদ স্বরূপ বক্তব্য বন্ধ করে সভাস্থল ত্যাগ করেন। বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতার এমন অসৌজন্যমূলক আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।

প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত বার্ষিক কর্মসম্পদান চুক্তির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় এমন আচরণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা খুবই মর্মাহত।

কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সরওয়ার মুর্শেদ বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে আমি লজ্জিত, ব্যর্থ। একজন শিক্ষার্থী কীভাবে শিক্ষকদের সভায় প্রবেশ করে ক্যাম্পাস বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিতে পারে?

বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত গুরুত্বপূর্ণ সভায় বিনা অনুমতিতে দলবল নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করা কোনোভাবেই ভদ্রতার মধ্যে পড়ে না। আমি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষার্থী সুলভ আচরণ প্রত্যাশা করি। ইবি ছাত্রলীগকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত।

এদিকে হুমকির কথা স্বীকারও করেছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিশির ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, ‘ভিসি স্যার জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন আন্দোলনে মাঠে থাকবে, তখন তিনি কীভাবে ক্যাম্পাস চালাবেন?’

advertisement