advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জাবি ভিসির পদত্যাগ চান আন্দোলনকারীরা

জাবি প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৫৯
advertisement

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগ দাবি করেছেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থারা। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে উপাচার্যকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সময়সীমা বেঁধে দেন তারা। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত এক আলোচনায় এ দাবি করা হয়। তবে উপাচার্য আন্দোলনকারীদের এ দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।

গতকাল বিকাল ৪টায় শুরু হওয়া আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই সন্ধ্যা ৭টায় শেষ হয়। আলোচনা শেষ হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বলেন, উপাচার্যের মাধ্যমে ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়া, ছাত্রলীগ কর্তৃক টেন্ডারের শিডিউল ছিনতাই, ছাত্রলীগ নেতাদের টাকা পাওয়ার ফোনালাপ ফাঁস এবং উপাচার্যের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার স্বীকারোক্তি প্রভৃতি বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য গোপন করেছেন উপাচার্য। এ জন্য এই পদে থাকার নৈতিক অধিকার তার নেই।

আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে উপাচার্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আন্দোলনকারীরা বলেন,

উপাচার্যের দুর্নীতির তদন্ত করতে হবে। যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় আনতে হবে।

এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা মহামান্য রাষ্ট্রপতি যদি নির্দেশ দেন, তবে সরে যাব। তা না হলে আন্দোলনকারীদের গালমন্দ খেয়েও থেকে যাব। দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, জীবনে ৫০০ টাকার বেশি ঈদ সেলামি পাইনি। এত (অভিযোগ ওঠা ২ কোটি) টাকা আমি দেব কোত্থেকে?

এদিকে মঙ্গলবার আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষক ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আমির হোসেনের মোবাইল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে আলোচনায় অংশ নেননি উপ-উপাচার্য। তিনি বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমার মোবাইল নম্বর চার ঘণ্টা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমি মনে করি, এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিষয়টি রেজিস্ট্রারকেও জানিয়েছি আমি।

advertisement