advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পূজাম-পের নিরাপত্তায় সাড়ে ৩ লাখ র‌্যাব-পুলিশ - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:১৪
advertisement

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, এবার দুর্গাপূজায় সারাদেশে ৩১ হাজার ম-প হবে। পূজার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য। আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত সভায় সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ওই সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাদকবিরোধী ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার প্রক্রিয়াকাজ শুরু থেকেই চলছে। দুর্নীতি করলে দলের নেতা বা এমপি হোক, কাউকেই ছাড়া হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে পুলিশের একজন ডিআইজিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন ভঙ্গ করলে তাকে আইনের মুখোমুখি দাঁড়াতেই হবে। তিনি বলেন, দলের ভেতরে শুদ্ধি অভিযান চলছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। শৃঙ্খলাভঙ্গের খবর যেখান থেকেই আসছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তা বিষয় তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালিত হয়, সরকার সে বিষয়ে তৎপর। সরকারের সেøাগানÑ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। প্রতিটি পূজাম-পের নিরাপত্তায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবে। এ ছাড়া ম-পে সিসিটিভি, আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। এ ছাড়া বিঘœ সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সজাগ থাকবে।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ম-পের আশপাশে অনেক সময় ইভটিজারদের দেখা যায়। তাদের বিরুদ্ধেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ থাকবে। স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুত করা হবে। এ ছাড়া মহিলা স্বেচ্ছাসেবক দল, ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশও থাকবে। পূজার সময় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হবে। জেলা সদর এবং উপজেলা সদরে পুলিশ কন্ট্রোল রুম থাকবে। পাশাপাশি জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ সার্ভিস আরও কার্যকর থাকবে। যে কোনো সমস্যায় এখানে ফোন দিলে সেবা পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী বলেন, পূজাম-পের আশপাশে যানজট এড়াতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। উপকূলীয় এলাকায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় কোস্টগার্ড এবং সীমান্তে প্রতিমা বিসর্জনের সময় বিজিবি উপস্থিত থাকবে।

রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পাচ্ছে, সেখানে পুলিশ ভেরিফিকেশন হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের এসব পাসপোর্টপ্রাপ্তির বিষয়ে পুলিশ জড়িত কিনাÑ সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে শুধু পুলিশ নয়, স্থানীয় চেয়ারম্যান, জন্মসনদ নিবন্ধনকারী, স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনারÑ এ তিন জায়গা পার হয়ে চতুর্থ ধাপে আসে পুলিশ ভেরিফিকেশন। কাজেই ওখানে যদি কোনো কিছু হয়ে থাকে, তা হলে পুলিশ একা দায়ী নয়, তবে পুলিশ এ ব্যাপারে তৎপর।

advertisement