advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

৯-৩০ অক্টোবর উপকূলীয় জলে মাছ ধরা নিষেধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:১৪
advertisement

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশের নিধনরোধে আগামী ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর, এই ২২ দিন প্রতিবছরের মতো সব ধরনের মাছধরা বন্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রের চারটি পয়েন্ট দিয়ে বেষ্টিত ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার উপকূলীয় এলাকার সব নদনদীতে এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গতকাল এক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে সংশ্লিষ্টরা জানান, চারটি পয়েন্ট হচ্ছেÑ মিরসরাই ও চট্টগ্রামের মায়ানি, তজুমুদ্দিন ও ভোলার পশ্চিম সৈয়দ আওলিয়া, কুতুবদিয়া ও কক্সবাজারের উত্তর কুতুবদিয়া এবং কলাপাড়া ও পটুয়াখালীর লতা চাপালী। আইনানুযায়ী এ সময় সারাদেশে ইলিশ মাছের আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। আরও জানানো হয়, প্রতিবছর আশ্বিন মাসের প্রথম উদিত চাঁদের পূর্ণিমার আগের চার দিন, পরের ১৭ দিন এবং পূর্ণিমার দিনসহ মোট ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা ২০১৭ সাল থেকে জারি রয়েছে।

তবে ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১১ দিন এবং ২০১৫ সালে এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ দিন। নিষেধাজ্ঞার আইন ভঙ্গ করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে দুই বছর সশ্রম কারাদ- অথবা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দ- হতে পারে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরুর সভাপতিত্বে সেমিনারে সংসদ সদস্য আশিকুল্যা রফিক, মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম ম-ল, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন, মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমদ, মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদসহ বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠন, ব্যবসায়ী, জেলে, মৎস্য গবেষক, এনজিও, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ, র‌্যাব, বন বিভাগের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। সভায় ‘সমুদ্র ৬৫ দিন মাছধরা বন্ধের ফল ও প্রভাব’ এবং ‘আসন্ন মা-ইলিশ রক্ষা অভিযান-২০১৯’ বিষয়ে সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আবু হাছানাত এবং ইলিশ ব্যবস্থাপনা শাখার সহকারী পরিচালক মাসুদ আরা মমি পৃথক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

advertisement