advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বক্তব্য দৃশ্যত নাকচ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই ক্যাসিনো বন্ধের অভিযান চালানো হয়েছে। আর প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল সচিবালয়ে

নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অভিযানের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দারাই এই তথ্য দিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অপারেশন হয়েছে। ঢাকায় কোনো ক্যাসিনোর অনুমতি দিইনি। আমরা বিভিন্ন ক্লাব ও হোটেলগুলোয় বারের অনুমতি দিয়েছি, কিন্তু ক্যাসিনোর অনুমতি দিইনি।

এতদিন ধরে এই ক্যাসিনোগুলো চলার ক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন বলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, আমি সব সময় বলে থাকি, এখানে যদি প্রশাসনের কোনো লোক জড়িত থাকেন কিংবা তারা এগুলোয় সহযোগিতা করেছেন কিংবা তাদের নিয়ন্ত্রণে এগুলো হয়েছে, অবশ্যই আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি হবেন।

এতদিন ধরে ক্যাসিনোগুলো চলছিল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি জানত নাÑ সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা সাংবাদিক, আপনারা সবই জানেন। এর আগে কলাবাগান ক্লাব ও কারওয়ানবাজারে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যখন যেটার খবর আসছে, তখন আমরা বন্ধ করে দিচ্ছি, সিলগালা করছি। প্রশাসন জানত বা জানত না, আমি সেখানে যাচ্ছি না। আমি বলছি, প্রশাসন যখনই জেনেছে, তখনই অভিযান শুরু করছে।

র‌্যাবের অভিযান রাজনীতিবিরোধী ষড়যন্ত্রÑ ওমর ফারুক চৌধুরীর এ ধরনের বক্তব্যের বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যানের মন্তব্য নিজস্ব মন্তব্য। আমার এখানে কিছু বলার নেই।

ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নাম যেমন এসেছে, তেমনি ওইসব ক্লাবে যুবলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও বেরিয়ে এসেছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কে কতখানি জড়িত সেটা তদন্তের ব্যাপার। আমরা পেয়েছি মাত্র, আমরা দেখব এখন কে কতখানি সহযোগিতা করেছে, কে কতখানি এটার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনে জুয়া যেমন নিষিদ্ধ, তেমনি বাংলাদেশের সংবিধানেও জুয়া বন্ধের কথা রয়েছে।

ক্যাসিনোর সরঞ্জামগুলো আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ছোট ছোট যন্ত্রাংশ আকারে এসেছে। এসব জিনিস ডিক্লারেশন দিয়ে আনেনি বলেই তাদের বিচার হবে। যারাই আইন ভঙ্গ করেছে, তাদের বিচার হবে। ক্যাসিনোগুলো যারা চালাচ্ছিলেন, তারা সরকারের অনুমতি নেননি বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; যদিও প্রচলিত আইন সংশোধন না হলে অনুমতি দেওয়ার সুযোগও নেই।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান নয়, এটা হলো অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধেÑ সেটা ক্যাসিনো হোক কিংবা ক্লাব। অবৈধ কোনো কিছু স্থাপন করলেই আমাদের ব্যবস্থা থাকবে।

advertisement