advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মিতুর জামিন বহাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৮
advertisement

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যার পর প্ররোচনা মামলায় তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী ওরফে মিতুকে উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরওয়ার কাজল। আসামি মিতুর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন।

গত ৩১ জানুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার একটি বাসায় আকাশ ইনজেকশনের মাধ্যমে নিজের শিরায় বিষ প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেন। তার আগে স্ত্রীর সঙ্গে

একাধিক পুরুষের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একই দিন ভোর ৪টার দিকে বাসা থেকে বেরিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান তানজিলা মিতু।

আকাশ স্ত্রীর কর্মকা- উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, ‘আমাদের দেশে তো ভালোবাসায় চিটিংয়ের শাস্তি নেই। তাই আমিই বিচার করলাম, আর আমি চির শান্তির পথ বেছে নিলাম।’ পরদিন রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর নন্দনকানন এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে মিতুকে আটক করে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ডা. আকাশের মা জোবেদা খানম বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে স্ত্রী মিতু, শ্যালিকা, দুই বন্ধুসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর এ মামলায় আকাশের স্ত্রী মিতুসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। মিতু ছাড়া অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন মিতুর মা শামীমা শেলী, বাবা আনিসুল হক চৌধুরী, ছোট বোন সানজিলা হক চৌধুরী আলিশা এবং মিতুর কথিত বন্ধু ডা. মাহবুবুল আলম। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ভারতীয় নাগরিক উত্তম প্যাটেল নামের অপর একজনকে মামলায় আসামি করা হলেও পরে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হন মিতু। পরে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। জামিন শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। গত ২৮ আগস্ট রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট মিতুকে স্থায়ী জামিন দেন। এর পর ৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

advertisement