advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম জাবি উপাচার্যকে

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:৩৬
আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:৩৬
advertisement

দুর্নীতি ইস্যুতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ‘দুর্নীতিবিরোধী জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। দুপুর ১টায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পুরনো রেজিস্ট্রারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে এক সমাবেশে আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আশিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতি ও অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর ভিসি পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের। তাকে ১ অক্টোবরের মধ্যে সসম্মানে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন ভিসি বাসায় বসে কাগজপত্রে স্বাক্ষর করবেন। এরই মধ্যে আমাদের কর্মসূচি চলবে। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে সব পরীক্ষাকেন্দ্রে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
সমাবেশে জাবি ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার বলেন, মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ও তাজ যখন টাকা পাওয়ার কথা স্বীকারই করেছে, তখন উপাচার্যকে পদত্যাগ করতেই হবে। হয় আপনি ১ অক্টোবরের মধ্যে সসম্মানে পদত্যাগ করবেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে।
দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান বলেন, যাদের টাকা দিয়েছেন, তারাই যখন মিডিয়ার সামনে স্বীকার করছে আমরা ২৫ লাখ টাকা পেয়েছি, তখন ভিসি যে দুর্নীতি করেছেন তা প্রমাণ হয়ে যায়। আমরা চাই এর সুষ্ঠু তদন্ত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাবি উপাচার্য
উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ছাত্রলীগের অভিযোগ, অডিও ফাঁস আর বহিষ্কারের ঘটনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। দুপুর ২টা ৪১ মিনিটে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কক্ষে প্রবেশ করেন তিনি। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকরা তাকে সাক্ষাৎ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। তবে কোনো উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান উপাচার্য।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি আসছেন আমার কাছে, উনি মাঝে মাঝেই আসেন, আলাপ-আলোচনা হয়। বিশেষ ও নির্দিষ্ট কোনো বিষয় ছিল না।
জাবির উন্নয়নকাজের অর্থ ভাগাভাগির বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কোনো কথা হয়েছে কিনাÑ এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আলাপ হবে কেন? অর্থ তো এখনো লেনদেন হয়নি, এখনো কন্ট্রাক্ট শুরু হয়নি। এখনো কিছুই হয়নি। এখন অর্থ নিয়ে যে কাহিনি আমরা শুনতেছি, এগুলো আমার কাছে পদ্মা সেতুর মতো মনে হচ্ছে। কী হবে সেটি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। এগুলো নিয়ে উনিই (উপাচার্য) ভালো বলতে পারবেন। এগুলো নিয়ে আমার সঙ্গে আলাপ হয়নি।

advertisement