advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সরকার ব্যর্থ দাবি করে পদত্যাগ চায় বিএনপি -স্থায়ী কমিটির বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১০
advertisement

গলাবাজি না করে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনেরও দাবি জানান তারা। গতকাল শনিবার গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে এ দাবি জানানো হয়। সিদ্ধান্ত হয়, কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ৩ বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করবে বিএনপি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিলেট, ২৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ ও ২৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে সমাবেশ হবে। এ ছাড়া বৈঠকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে ছাত্রদলের কাউন্সিল সফলভাবে সম্পন্ন করায় তারেক রহমান ও মির্জা আব্বাসকে ধন্যবাদ দেয় স্থায়ী কমিটি।

বিকাল ৫টা থেকে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। এতে স্কাইপের মাধ্যমে লন্ডন থেকে যুক্ত ছিলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আরও ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।

পরে রাতে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের স্বরও কমে গেছে। এখন তারা নিজেরাই ধরা পড়ে গেছে। তাদের লোকরাই সব ধরিয়ে দিচ্ছে, ধরা পড়ছে তারাÑ এখন যেন স্বরটা কমে আসছে। গলাবাজি না করে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছেন= এই কারণে পদত্যাগ করেন। দয়া করে নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করে জনগণকে রেহাই দেন।

তিনি বলেন, এখন আলোচনা একটাই- ক্যাসিনো-জুয়া। ঢাকার বাইরেও এই জুয়া চলছে। কোথাও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এসব বেড়ে গেছে। কয়েকদিন আগে ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক রাশেদ খান মেনন বলেছেন, দুর্নীতি এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের তো বলার দরকার হয় না। যেখানে একটা পর্দার দাম ৩০ লাখ টাকা, একটা বইয়ের দাম ৮৫ হাজার টাকাÑ এসব ভয়াবহ দুর্নীতি চলছে। এই অবস্থায় একটা রাষ্ট্র কোনো মতেই চলতে পারে না।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা অবিলম্বে তার মুক্তি চাই, আইনগতভাবে চাই, জামিনের মাধ্যমে চাই। উচ্চ আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ের আইনি প্রক্রিয়া আবার শুরু করা হবে।

advertisement