advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সৌদিতে আরও সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

সৌদি আরবে বাড়তি সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন জানিয়েছে, নিরাপত্তা জোরদারে সেখানে আরও সেনাসদস্য এবং সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি একই কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতেও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। বিবিসি।

সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে হামলার ঘটনায় এখনই ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন পরিস্থিতিতেই সৌদি-আমিরাতে আরও সেনা মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে পেন্টাগন।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপের সাংবাদিকদের বলেছেন, এটা ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ সহায়তা চেয়েছে। মার্কিন সেনারা ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ পথে হামলাগুলোর দিকে নজর রাখবেন। তবে কত সেনা পাঠানো হবে, তা নিশ্চিত করেননি তিনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড জুনিয়র অবশ্য জানান, সেনা মোতায়েন হবে ‘মাঝারি’ ধরনের। এ সংখ্যা হাজারের বেশি হবে না।

মনুষ্যবিহীন উড়োযান (ড্রোন) দিয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানি আরামকোর আবকাইক ও খুরাইস তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয় ১৪ সেপ্টেম্বর। আবকাইকের তেল শোধনাগারটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং খুরাইস হচ্ছে সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলক্ষেত্র। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। তবে তাদের এত উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি নেই বলে এবং হামলা যে দিক থেকে এসেছেÑ এসব বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন প্রশাসন এবং সৌদি আরব দাবি করছে, এ হামলা আসলে ইরানই চালিয়েছে। যদিও তেহরান ওই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ‘ইয়েমেনের জনগণ তাদের প্রতিরক্ষামূলক বৈধ অধিকার প্রয়োগ করছে।’

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত এড়াতে চান বলে আভাস দিয়েছেন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, শক্তিশালী মানুষের প্রকাশভঙ্গি এবং যেসব জিনিস শক্তিমত্তা প্রকাশ করে, তা কিছুটা সংযমের সঙ্গে দেখানো যায়।’

এ দিকে চলমান যুদ্ধ-পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি আগামীকাল নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন।

advertisement