advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভোটারের মন বুঝে প্রচারে প্রার্থীরা

নজরুল মৃধা রংপুর
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

ভোটারের মন বুঝে প্রচার চালাচ্ছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে আলোচনায় থাকা তিন প্রার্থী। জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাদ এরশাদ সিটি করপোরেশনের বর্ধিত ও সদর উপজেলার উন্নয়নবঞ্চিত এলাকার ভোটারদের মন জয়ে জোর দিচ্ছেন। তাই শহরের চেয়ে ওইসব এলাকায় লাঙলের প্রচার বেশি দেখা যাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ শাহরিয়ার জাতীয় পার্টির একাংশের পাশাপাশি হিন্দু ও অবাঙালি ভোটারদের ভোট টানতে ব্যস্ত। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান জোট মিত্র জামায়াতসহ অন্য শরিকদের ভোট ধরে রাখার চেষ্টায় রয়েছেন।

মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্গাপূজার কারণে এবার সনাতন সম্প্রদায়ের অনেকেই ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা ভোট পেছানোর দাবি জানিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিমান ভাঙিয়ে যে প্রার্থী ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারবেন ভোটের পাল্লা তার দিকেই ঝুঁকে থাকবে। আগামী ৫ অক্টোবরের এ ভোটে লাঙ্গলের সমর্থনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আসনটিকে জাপা তাদের ঘাঁটি মনে করছে। এর পরও জাপার প্রার্থী এরশাদপুত্র সাদ এরশাদ উন্নয়নবঞ্চিত বর্ধিত এলাকার দিকে বেশি জোর দিচ্ছেন। এসব এলাকার ভোটারদের মাঝে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে। এ ক্ষোভকে কাজে লাগাতে চান তিনি। ফলে সিটির বর্ধিত অংশ এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন অংশেই তার নির্বাচনী প্রচার বেশি দেখা যাচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান গত নির্বাচনে ৫৩ হাজার ভোট পেয়ে আলোচনায় এসেছেন। বিএনপি জোটের সঙ্গী জামায়াত সমর্থকদের কাজে লাগাতে পারলে ধানের শীষ ভোটের দিক দিয়ে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ শাহরিয়ার প্রয়াত এরশাদের ভাতিজা। পারিবারিক পরিচয় দিয়ে তিনি ভোট টানতে চাইছেন। পাশাপাশি হিন্দু ও অবাঙালি ভোটারদের দিকেও তার বাড়তি নজর রয়েছে।

এরশাদের এ আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী ৬ জন। তারা হলেন, জাতীয় পার্টির রাহগির আল মাহি সাদ (সাদ এরশাদ), বিএনপির রিটা রহমান, স্বতন্ত্র আসিফ শাহরিয়ার, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান ম-ল।

advertisement