advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমদানিনির্ভরতা কমানো জরুরি : পেঁয়াজের দাম কমেনি

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

বাজারে পেঁয়াজসহ প্রায় সব ধরনের তরিতরকারির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের আর্থিক কষ্টের কারণ হয়েছে। পেঁয়াজের দাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন সরকারের কর্মকর্তারা। সেই ২৪ ঘণ্টার পর পেরিয়ে গেছে চার দিন। এখনো সরকারের কথার কোনো প্রভাব পড়েনি পেঁয়াজের বাজারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের সরবরাহ কম। নতুন পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা নেই। আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের উৎপাদন কম বলে আমদানি করা পেঁয়াজের ওপর আংশিক নির্ভরশীলতা আছে; প্রধানত ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের ওপর আমাদের বাজারের পেঁয়াজের দাম কিছুটা নির্ভরশীল।

খোলাবাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে দেশের চারটি স্থলবন্দর থেকে আমদানিকারকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনবে টিসিবি। এরই ধারাবাহিকতায় হিলিতে টিসিবিকে পেঁয়াজ দিতে শিডিউল ড্রপ করছে তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। এটি হয়তো সাময়িক প্রতিকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থায়ী প্রতিকারের জন্য এসব পণ্যের আমদানিনির্ভরতা কমাতে হবে। দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে।

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়লেই দেশি পেঁয়াজের মজুদদারি বাজারে যে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, দেশি পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ মূলত এটাই। সেজন্য চাহিদা অনুযায়ী অন্য কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। অর্থাৎ আমদানি করা পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের ভেতরে উৎপাদন আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। এ ব্যাপারে সরকারকে নানারকমের সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। কৃষিতে ফসলবৈচিত্র্য অবশ্যই বাড়াতে হবে, শুধু ধানের ওপর প্রাধান্য দিলে আর চলবে না। সেই সঙ্গে বাজার স্থিতিশীল রাখতে অবশ্যই নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।

advertisement