advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশ্বের রাজনীতিকে এক মঞ্চে সহাবস্থান করতে হবে : জলবায়ু পরিবর্তন

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

বিজ্ঞানীরা ক্রমাগত এই বলে সতর্ক করে আসছেন যে, কার্বন নিঃসরণ কমানো না হলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বেড়ে গিয়ে জলবায়ুর গুরুতর পরিবর্তন ঘটবে এবং তার ফলে প্রচ- খরা, প্রলয়ঙ্করী ঝড়ঝঞ্ঝা, ব্যাপক বন্যা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে নানা ধরনের বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠবে।

বিভিন্ন জটিলতায় প্যারিস চুক্তিও বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না, তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব ঐকমত্য দেখা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে সবুজ অর্থনীতির বিকাশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দূষণমুক্ত বিভিন্ন প্রযুক্তির বিকাশ ও তাদের মূল্যহ্রাস নতুন বৈশ্বিক বাণিজ্যের আকর্ষণ তৈরি করেছে। সুইডিশ কিশোরী অ্যাক্টিভিস্ট গ্রেটা থানবার্গের ডাকে গতকাল শুক্রবার বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ শিশু অংশ নিয়েছে ‘ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ বা ‘জলবায়ু ধর্মঘট’ নামের বিশেষ কর্মসূচিতে, যা বিভিন্ন দেশে শিশুদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এদিন আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বড় বড় শহরে স্কুলে না গিয়ে শিশুরা পরিবেশ বাঁচানোর দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নেমে এসেছিল রাস্তায়। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বড়রাও শামিল হয়েছেন এ আন্দোলনে। তাদের সবার কণ্ঠেই ছিল এক স্লোগান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও পরিবেশকে বাঁচাতে হবে। রুখতে হবে জলবায়ু পরিবর্তন।

প্রযুক্তিবিদরা বর্তমানে শিল্প-কারখানার নানা খাতে কার্বনমুক্ত প্রযুক্তি প্রয়োগের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি অসম্ভব কোনো কাজও নয়। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ করলে সাময়িক কিছু আর্থিক ক্ষতি হবেই। কিন্তু এর বদলে যা পাওয়া যাবে, তার দাম আর্থিক মূল্যে মাপা যাবে না। এ ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদেরই একাট্টা হতে হবে। এই একটি ইস্যুতেই পুরো বিশ্বের রাজনীতিকে এক মঞ্চে সহাবস্থান করতে হবে।

advertisement