advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারী

আমাদের সময় ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১২
advertisement

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে এক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি মুসা কারিকরকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিলেটের ওসমানীনগরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আসামি এক বাবুর্চি গ্রেপ্তার হয়েছেন। পাথরঘাটায় ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

খাগড়াছড়ি : মহালছড়িতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে রতন ত্রিপুরা নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রতন যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ার সুখেন্দু ত্রিপুরার ছেলে। শুক্রবার রাতে ওই নারীকে বাড়িতে একা পেয়ে রতন ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনা জানাজানি হলে থানায় এসে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। পুলিশ গতকাল শনিবার রতনকে তার বাড়ি থেকে আটক করে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা : কালীগঞ্জ উপজেলার সাতবসু গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি মুসা কারিকরকে শুক্রবার রাতে ঢাকার সাভার ব্যাংক কলোনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুসা কারিকর কালীগঞ্জের ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের হোসেন কারিকরের ছেলে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে সে ঘরে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ১৪ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় মেয়েটির চাচা মামলা দায়ের করেন।

ওসমানীনগর : সিলেটের ওসমানীনগরে বাবুর্চি হারুন মিয়ার বিরুদ্ধে তার সহকারীর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার দয়ামির ইউনিয়নের খালপার এলাকার মৃত ধনাই মিয়ার পুত্র। গতকাল শনিবার মেয়ের মায়ের দেওয়া অভিযোগ মামলা হিসাবে গ্রহণ করে পুলিশ। তাৎক্ষণিভাবে পুলিশ হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। এছাড়া নির্যাতিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পাথরঘাটা : বরগুনার পাথরঘাটায় ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর মা। তিনি এ মামলার বাদী। তার অভিযোগ, গত বছর রাতের আঁধারে তার মেয়েকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অন্য এক বাড়িতে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে মজিবর রহমান ছিকু, মো. সিদ্দিক ও আ. রাজ্জাক। এ ঘটনায় বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তিনি। এ মামলায় ছিকু দেড় বছর পলাতক ছিল। পরে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ছিকুসহ আসামিদের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দেয়। সেই চার্জশিটের আগেই ছিকু ছাড়া অন্য দুই আসামি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পায়। তারপর থেকে তারা হুমকি দিয়ে আসছে।

পাথরঘাটা থানার ডিউটি অফিসার জানান, ধর্ষণ মামলার বাদীর অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

advertisement