advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইবি ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের সশস্ত্র মহড়া

ইবি প্রতিনিধি
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১৩
advertisement

চাপাতি, হাঁসুয়া, রামদা, লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠিসোটা ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিদ্রোহী গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়া ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের বিরুদ্ধে এ মহড়া দেওয়া হয়। এ সময় বিদ্রোহী গ্রুপে অবস্থান নেওয়া বহিরাগত ও মাদকাসক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১২ নম্বর (দেশীয় ব্লক) কক্ষে ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকালে ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে বঙ্গবন্ধু হলসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন সংগঠনের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা। পরে সাধারণ সম্পাদক রাকিব কিছু সময় জিয়া মোড়ে অবস্থান নিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে চলে যান। তখন বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা শিশির ইসলাম বাবু, ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত, মিজানুর রহমান লালন, জুবায়ের আল মাহমুদের নেতৃত্বে প্রধান ফটকের দিকে এগিয়ে গিয়ে সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে সেøাগান দিতে থাকেন। প্রধান ফটকের সামনেই তারা এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিদ্রোহীরা। পুনরায় সেøাগান দিতে দিতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন হলে গিয়ে সশস্ত্র মহড়া দেন। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘যারা ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানাব।’ সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এটি দুঃখজনক। তারা আমাদের বিরুদ্ধে সেøাগান দেওয়া মানে নিজেদের বিরুদ্ধেই সেøাগান দেওয়া। কারণ আমরা সবাই ছাত্রলীগ। তার পরও যদি তাদের কোনো অভিযোগ থেকে থাকে সেটি কেন্দ্রে জানাবে, কেন্দ্র আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। অথবা তারা নিজেরাই আলোচনার টেবিলে বসবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নাসিমুজ্জামান বলেন, ‘ক্যাম্পাসে যারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, আমরা তাদের ডাটা কালেক্ট করছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

advertisement