advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১৭
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

যুক্তরাজ্য চলমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল রবিবার ঢাকার যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দেশটির ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন ও বাংলাদেশে ইউকে এইড প্রধান জুডিথ হারবার্টসন। ২০১৭ সাল থেকে এ নিয়ে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ২২৬ মিলিয়ন পাউন্ড।

সংবাদ সম্মেলনে হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দৃঢ়-টেকসই অংশীদারত্ব বিদ্যমান। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ অসাধারণ উদারতা ও মানবতা দেখিয়েছে। আমরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করি। রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদে তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে পারে, সেখানের পরিবেশ উন্নয়নে যুক্তরাজ্য অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশে ইউকে এইড প্রধান জুডিথ হারবার্টসন বলেন,

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য সরকার আরও ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা দেবে। ২০১৭ সাল থেকে এ নিয়ে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ২২৬ মিলিয়ন পাউন্ড। অতিরিক্ত এই ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও রোহিঙ্গা সংকটের কারণে প্রভাবিত স্থানীয় জনগণের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে ৬৩ হাজার ২৪০ কোটি টাকা

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে ৬০০ কোটি পাউন্ডের তহবিল দেবে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৩ হাজার ২৪০ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা। বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন এ তহবিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, বৈশ্বিক শান্তি রক্ষার অনেকগুলো উপায়ের মধ্যে একটি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা।

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শান্তি বজায় রাখা এবং পরিস্থিতির আরও উন্নয়নের একটি মাধ্যম হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তি ও জলবায়ুর মধ্যে একটি গভীর সংযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আগামী সপ্তাহের জাতিসংঘের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটে’ অংশিদারত্বের ভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনে সহনশীলতা ও অভিযোজন বিষয়ে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাজ্য।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া ও ভবিষ্যতের জন্য সহনশীল পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি নিতে যুক্তরাজ্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

advertisement