advertisement
advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement

পাল্টাপাল্টি সেøাগানে মধুর ক্যান্টিনে উত্তাপ

বিশ^বিদ্যালয় প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৩৭
advertisement

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নতুন কমিটি হয়েছে ছাত্রদলের। নবনির্বাচিত সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের নেতৃত্বে গতকাল রবিবার প্রথম সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আসেন। এ সময় সেখানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাও উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজেদের নেত্রীর নামে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মধুর ক্যান্টিন। যদিও উভয় সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে পরে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় ছাত্রদলের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঢাবি ক্যাম্পাসে সব সংগঠনের কার্যকর সহাবস্থান এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বেলা ১১টার আগেই নেতাকর্মীদের নিয়ে মধুর ক্যান্টিনে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং সংগঠনটির বিশ^বিদ্যালয় শাখার

সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাশ ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তারা আসার পরপরই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মধুর ক্যান্টিন দখল করে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল নেতাকর্মীদের নিয়ে মধুর ক্যান্টিনে হাজির হন। এ সময় ছাত্রদল কর্মীরা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিভিন্ন কটূক্তিমূলক সেøাগান দিতে থাকলে এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন সেøাগানে মাতিয়ে রাখেন মধুর ক্যান্টিন। কিন্তু উভয় সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে মধুর ক্যান্টিনের বাইরে আসেন ছাত্রদল নেতারা।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, আপনারা দেখছেন আমাদের লক্ষ্য করে কীভাবে উসকানিমূলক সেøাগান হচ্ছে। তারা ঢিল মারছে। আমরা যখন ঢাবিতে তাদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক করতে গেছি আমরা সেই সহযোগিতা পাইনি।
পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ক্যাম্পাসে সব সংগঠনের কার্যকর সহাবস্থান এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।
ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ক্যাম্পাসে পূর্ণাঙ্গভাবে সব সংগঠনের সহাবস্থান নেই। বর্তমানে ঢাবিতে সীমিত আকারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে। যেমন মধুর ক্যান্টিনের সামনে আপনাদের সামনে কথা বলছি। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত নয়। আমাদের হল পর্যায়ে সহাবস্থান নেই। ভিন্নমত ধারণ করার কারণে সাধারণ ছাত্ররাও হল পর্যায়ে থাকতে পারছে না। গতকাল গোপালগঞ্জ বিশ^বিদ্যালয়ে সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের হামলা হয়েছে। যারা ভিসির সমর্থক। নগর পুড়লে দেবালয়ও এড়ায় না। আমরা সাধারণ ছাত্ররা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনা করি। ছাত্রসমাজের অধিকার রক্ষায় ছাত্রদল সবাত্মক চেষ্টা করবে।
ফজলুর রহমান খোকন বলেন, ছাত্রদল সবসময় সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলে। গোপালগঞ্জ বিশ^বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ^বিদ্যালয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেখানে আমরা প্রথম ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কাজ করব। আমরা অলরেডি কাজ শুরু করেছি। আপনারা এর বাস্তবায়িত রূপ দেখতে পাবেন।

 

advertisement