advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কষ্ট নেই তবে আক্ষেপ আছে

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫১
advertisement

চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ^াস। বর্তমানে কাজ করছেন ছোটপর্দায়। দায়িত্বে আছেন সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবেও। দীর্ঘ সময় তাকে চলচ্চিত্রে দেখা যায়নি। আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানিয়েছেন নিজের আক্ষেপের কথা...

চলচ্চিত্রে অভিনয় কি ছেড়ে দিয়েছেন?

যেহেতু অনেকদিন নতুন কোনো চলচ্চিত্রে আমাকে দেখা যাচ্ছে না, তাই অনেকেই এই প্রশ্নটা করছেন। কিন্তু অভিনয় আমার পেশা। চাইলেই পেশা ছেড়ে দেওয়া যায় না। ছেড়ে দেইনি। আবার কাজও করছি না!

এর কি বিশেষ কোনো কারণ আছে?

বিশেষ কারণ নেই। চলচ্চিত্রের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়, এমনটা আমি বলব না। এখনো ভালো ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেসব চলচ্চিত্রে আমাদের অভিনয় করার মতো কোনো চরিত্র থাকছে না। যদি কোনো গল্পের চরিত্র পছন্দ হয়, তবে অবশ্যই অভিনয় করব।

আপনার বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

দীপ্ত টিভির প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক ‘ভালোবাসার আলো আঁধার’-এর কাজ করছি। এটি নির্মাণ করেছেন গোলাম সোহরাব দোদুল। তা ছাড়া কাজ করছি সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে।

সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন বলেই কি চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা আপনার জানা আছে?

না, না। আমি এমনিতেই খোঁজখবর নিই। কোন ছবি কেমন চলছে, কোন ছবির গল্প কেমনÑ সবই বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানি। আবার এখনো চেষ্টা করি, সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার।

তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, দীর্ঘ একটা জার্নি। কোনো অপূর্ণতা কি আছে?

যা চেয়েছি, তার সবই পেয়েছি বলে মনে করি। কারণ আমি এমন কিছু চাই না, যা আমি পাব না বা পেতে হলে নিজের সম্মান থাকবে না। দীর্ঘ চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারে যে পরিমাণ দর্শক ভালোবাসা পেয়েছি, তাতেই নিজেকে ভাগ্যবতী মনে হয়।

আপনার দৃষ্টিতে আপনার সেরা কাজ কোনগুলো?

আমি যে ছবিতেই কাজ করেছি, বুঝেশুনেই করেছি। তাই প্রতিটি কাজই আমার পছন্দের। সেরার বিচারটা দর্শক করবে। আমি আমার পছন্দের কাজের কথা বলতে পারি। খান আতাউর রহমানের ‘পরশ পাথর’, শিবলী সাদিকের ‘সম্মান’, বাবরের ‘দয়াবান’, চাষী নজরুল ইসলামের ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’, এমএম সরকারের ‘আত্মসম্মান’ এবং সুভাষ দত্তের ‘আবদার’।

এতগুলো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার না পাওয়ার জন্য কি মন খারাপ হয়?

এ নিয়ে কষ্ট নেই, তবে আক্ষেপ আছে। কারণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার মতো চরিত্রে আমি অভিনয় করেছি, এটা আমার আত্মবিশ^াস। দর্শক আমাকে ভালোবাসেন। আমি বিশ^াস করি, একদিন হয়তো সময় হবে, একদিন হয়তো সৎ পথে থাকার বিচার হবে। একদিন হয়তো অভিনয়ের স্বীকৃতি মিলবে জাতীয় পর্যায়ে। এই স্বীকৃতির প্রতি সেদিন হয়তো কোনো আগ্রহ থাকবে না। যখন কাজের স্বীকৃতির প্রয়োজন হয়, তখন যদি ন্যায়বিচার না হয়Ñ সময় পেরিয়ে গেলে তার প্রতি আর আগ্রহ কাজ করে না।

advertisement