advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অব্যাহত রাখতে ব্যবস্থা নিন

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০২
advertisement

আওয়ামী লীগের যে বৈঠকে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেখানেই তিনি যুবলীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। এর পর থেকেই অঙ্গসংগঠনগুলোয় চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বড় নেতাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়।

এর কয়েক দিন পরই মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদকে গ্রেপ্তারের পর জিকে শামীমের নাম উঠে আসে। চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীমকে আটক করে র‌্যাব। এক সময় তিনি বিএনপির যুব সংগঠন যুবদল নেতা ছিলেন। পরে ভোল পাল্টিয়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগে। বাগিয়ে নেন দলের পদ। হয়ে ওঠেন প্রভাবশালী নেতা, বাগিয়ে নিতে থাকেন একের পর এক সরকারি টেন্ডার। এক সময় তার নামই হয়ে যায় টেন্ডার শামীম। সাধারণ মানুষ ভাবেন পুলিশের জ্ঞাতসারে, এমনকি যোগসাজশেই এসব অবৈধ আসর, লেনদেন ও তৎপরতা চলে। এখন নিশ্চয় ওপরের কোনো মহল থেকে এ আসরগুলো ভেঙে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আসায় পুলিশ সক্রিয় হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যারা শুদ্ধি অভিযান করছে তারা কতটা শুদ্ধ? শুধু প্রধানমন্ত্রী সৎ হলে তো হবে না। সংশ্লিষ্ট সবার সততার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। দেশে সুশাসন আনার জন্য এ ঘোষণা ও তার প্রতিফলন অনেক আগেই দরকার ছিল। তবে যখন একবার শুরুই হয়েছে, এটা অব্যাহত রাখতে হবে। শুধু খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া বা শামীম নয়, তাদের পেছনে থেকে কারা ইন্ধন দিতেন, খালেদ-শামীমের অবৈধ টাকা যাদের হাতে পৌঁছেছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযানের বিকল্প নেই।

advertisement