advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে ৫ ঘণ্টা পর ফেরি সচল

মুন্সীগঞ্জ লৌহজং ও শিবচর প্রতিনিধি
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১৪
advertisement

নাব্য সংকট ও তীব্র ¯্রােতে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে ৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর গতকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় উভয় পাড়ে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয়। এদিকে যাত্রীদের চাপে রুটটিতে ২টি স্পিডবোটের সংঘর্ষে ৫ যাত্রী আহত হয়েছেন। এছাড়া এক নারী যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।

এর আগে পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত ও নাব্য সংকটের কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে শনিবার রাত সাড়ে ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। ফলে গতকাল রবিবার সকালে শিমুলিয়া ঘাটে ৫২টি নাইট কোচসহ দুই শতাধিক ছোট গাড়ি ও চার শতাধিক ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এতে যাত্রীরা পড়েন সীমাহীন দুর্ভোগে।

প্রায় পাঁচ দিন ধরে স্রোতের চাপে এ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। ১৭টি ফেরির মধ্যে ৮ থেকে ১০টি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছিল। কিন্তু গত শনিবার রাতে চ্যানেলের মুখে প্রবেশের সময় স্রোতের তোড়ে ফেরি ঘুরে যাচ্ছিল। এ ছাড়া বালি জমে যাওয়ায় কোথাও কোথাও আটকে যাচ্ছিল ফেরি। ওই রাতে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে কয়েক ঘণ্টা ডুবোচরে দুটি ফেরি আটকা পড়েছিল।

বিআইডব্লিউটিসি মাওয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক নাছির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, নদীতে রোলিং বেশি ও পলি পড়ে নব্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে। রাত সাড়ে ৩টা থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে সব ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। মেরিন বিভাগ বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং করে দিলে ফেরি চালু করা সম্ভব হবে। ঘাট এলাকায় ৫২টি নাইট কোচ, দেড় শতাধিক ছোট গাড়ি ও অন্তত ৪০০ ট্রাক রয়েছে। আপাতত বিকল্প সড়কে গাড়ি চালাতে চালকদের বলা হচ্ছে।

advertisement