advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এবার কর্ণাটকেও এনআরসি

অনলাইন ডেস্ক
৪ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৫৩ | আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৫২
পুরোনো ছবি
advertisement

ভারতে আসামের পর এবার জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্ণাটক রাজ্য সরকার। রাজ্যে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার কর্ণাটক রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসভরাজ ভোমাই বলেন, ‘কর্ণাটক এমন রাজ্য, যেখানে সীমান্তের ওপার থেকে অনেকে এসে বসতি স্থাপন করেছে। এখানে প্রচুর ইস্যু থাকায় আমরা সম্ভাব্য সব তথ্য সংগ্রহ করছি। বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।’

জানা গেছে, বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে নেলমঙ্গলা তালুকে একটি বিদেশি আটককেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এদিকে আটককেন্দ্র থেকে অভিবাসীদের পালিয়ে যেতে বাধা দিতে কেন্দ্রের প্রাচীরগুলো কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। পুরোনো এক সরকারি কার্যালয় প্রাঙ্গণ সংস্কার করে একে আটককেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

গত জুলাইয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে দ্রুত একটি আটককেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দেয়। অবৈধ অভিবাসীদের নির্বাসিত না করা পর্যন্ত তাদের বসবাসের জন্য এটি ব্যবহৃত হবে বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে।

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিবেদনে আরও সুপারিশ করা হয়, বেঙ্গালুরুর আশপাশে অতিরিক্ত আরও কয়েকটি আটককেন্দ্র তৈরি করা হবে। কর্ণাটক রাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসরত আফ্রিকান ও বাংলাদেশির প্রকৃত সংখ্যা হিসাব করে আটককেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

কর্ণাটক কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতি ঈশ্বর খন্দ্রে বলেন, ‘রাজ্যে যারা অবৈধভাবে রয়েছেন, তাদের অবশ্যই দেশছাড়া করতে হবে। তবে এনআরসির কারণে ভারতীয় নাগরিকদের যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সরকারকে সেই বিষয়টি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।’

কয়েক দফায় খসড়া তালিকা প্রকাশের পর গত ৩১ আগস্ট প্রকাশিত হয় ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিক তালিকা। এই তালিকা থেকে বাদ পড়েন রাজ্যের প্রায় ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। বাদ পড়া এসব মানুষের অনেকেই বাংলাভাষী। যুগ যুগ ধরে আসামে বসবাসরত এই নাগরিকদের এখন মামলা লড়ে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে।

সরকার অবশ্য বলছে, এনআরসিতে যাদের নাম নেই, এখনই তাদের বিদেশি বা অনুপ্রবেশকারী ঘোষণা করা হবে না। তাদের বৈদেশিক ট্রাইব্যুনাল ও আদালতে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে।

advertisement