advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লোকমানকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩১ | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩৩
লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও মোহামেডান ক্লাবের সভাপতি লোকমান হোসেন ভূঁইয়া দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

আজ সোমবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লোকমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

জালাল ইউনুস বলেন, ‘এই বিষয়ে (লোকমান ইস্যু) মাননীয় সভাপতি কিছুদিন আগেই আপনাদের ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। যদি উনি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে বোর্ড থেকেও ওই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে-এমন প্রশ্নে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, আমরা অপেক্ষা করছি। আর সিদ্ধান্ত নিতে হলে এটা বোর্ডে আলোচনা করতে হবে। পরবর্তী বোর্ড সভাতে আমরা এটা নিয়ে আলাপ করতে পারি। ’

এর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, ‘যা অভিযোগ এসেছে, যদি সেটা হয় তাহলে তার শাস্তি হবে। আমার কথা হলো যদি ওর বিদেশে কোনো টাকা থাকে যেটা নিয়ম অনুযায়ী যায় নাই কিংবা অবৈধ সম্পদ তাহলেও যে কারো বিচার হবে। খালি একজন নিয়ে ইস্যু না। যার আছে তারই হবে।’

বোর্ড থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পাপন বলেছিলেন, ‘আমাদের তো কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার কিছু নেই। যদি অপরাধ প্রমাণিত হয় তখন অবশ্যই বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু এখন এটা বেশি আর্লি টু সে এনিথিং। আমার কথা হচ্ছে যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তাহলে তার বিচার হবে। এখানে কোনো ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই। আমি বিসিবিতেও ছাড় দিব না।’

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গত ২৬ সেপ্টেম্বর লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে তার মণিপুরীপাড়ার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২। এ সময় তার বাসা থেকে ৪ বোতল বিদেশি মদ জব্দ হয় করা হয়।

এদিন সন্ধ্যা ৬টায় র‌্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি দায়ের করে। এরপর তাকে তেজগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে এ মামলায় দুই দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গত বৃহস্পতিবার আবারও তাকে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তৃতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে গতকাল রোববার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই কামরুল ইসলাম।

অপরদিকে লোকমানের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ সময় লোকমানের আইনজীবীরা কারাগারে তার ডিভিশন সুবিধা চেয়ে আবেদন করেন। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী তাকে ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

advertisement