advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সোহেলের নতুন ঠিকানা আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৭ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৪৮ | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৪৮
সোহেল রানা
advertisement

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ছেড়ে আবাহনী লিমিটেডে বসত গড়েছেন দেশের অভিজ্ঞ এবং সময়ের সেরা মিডফিল্ডার সোহেল রানা। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আকাশী-নীলের তাঁবুতে এসেছেন তিনি। এর আগে দেশের প্রায় সব বড় ক্লাবেই খেলেছেন মানিকগঞ্জের এ ফুটবলার।

ফুটবলে লাথি মারার বয়স থেকেই স্বপ্ন ছিল একদিন আবাহনীর জার্সিতে খেলবেন। সেই স্বপ্ন অবশেষে পূর্ণ হল সোহেলের। আগামী ২০১৯-২০ মৌসুমের জন্য ক্লাবটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ টুর্নামেন্ট। সেখানে গত দুই আসরের মতো এবারও থাকছে দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আবাহনী। শেখ কামাল টুর্নামেন্টই আবাহনীর হয়ে সোহেলের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। আসর সামনে রেখে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছেন।

এর আগে দেশের আরেক পুরোনো এবং ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের হয়ে শেখ কামাল টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে সোহেলের।

১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে আগামী মৌসুমের দলবদল। সপ্তাহ না পেরুতেই সোহেলকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে আবাহনী। শেখ রাসেলে থেকে যাওয়ার অফার ছিল, আরও বেশ কয়েকটি ক্লাব থেকেও নাকি অফার পেয়েছিলেন। কিন্তু আবাহনীকে সব দিক থেকে বেটার মনে করার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ছেড়ে ধানমন্ডিতে চলে এসেছেন সোহেল।

মিডফিল্ডার গত তিন মৌসুম আবাহনীকে সাপোর্ট দিয়েছেন চট্টগ্রামের ফুটবলার আতিকুর রহমান ফাহাদ। পুরোনো ক্লাব ছেড়েছেন এবার ফাহাদ। যোগ দিয়েছেন আলোচিত বসুন্ধরা কিংস ক্লাবে। ফাহাদের জায়গাটা পূরণ করতেই সোহেলকে নিয়ে আসা।

এ বিষয়ে সোহেল বলেন, ‘আমি ও নাসির ভাই আবাহনীতে এখন পর্যন্ত নতুন মুখ। নাসির ভাই অবশ্য গত মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসে খেলার আগেও আবাহনীতে ছিলাম। আমি প্রথমবারের মতো এসেছি। শেখ কামাল টুর্নামেন্ট সামনে রেখে আমরা সাত-আটজনের ছোট্ট একটি দল আপাতত অনুশীলন করছি। কারণ আমাদের দলের অনেক খেলোয়াড় এখন জাতীয় দলে রয়েছেন।’

ফুটবল নিয়েই দিন-রাত কাটছে সোহেলের। গত বছর ২৪ নভেম্বর তার জীবনের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে কঠিন এক ঝড়। সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তার স্ত্রী-সন্তান। প্রিয়জনদের হারিয়ে কয়েক মাস ফুটবলের বাইরে ছিলেন। এখন প্রিয়জনকে ভুলে থাকতে ফুটবলই শেষ আশ্রয়স্থল তার। নতুন করে জীবনের গল্প লেখার ইচ্ছা নেই। ফুটবলের বাইরে ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া, ভাবনা আপাতত তুলে রেখেছেন। তবে ভবিষ্যতে কী হবে, নতুন করে সংসার জীবনে পর্দাপন করেবন কি না, সেটা ভবিষ্যতেও ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন।

advertisement