advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রিমান্ড শেষে সহযোগীসহ সেলিম প্রধান কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

চার দিনের রিমান্ড শেষে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার মূলহোতা সেলিম প্রধানকে তার দুই সহযোগীসহ কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদ উর রহমান এ আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া অপর দুই আসামি হলেন মো. আক্তারুজ্জামান ও মো. রোমান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আমিনুল ইসলাম রিমান্ড শেষে গতকাল আসামিদের আদালতে হাজির করেন। সেই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। এতে বলা হয়, রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও দিয়েছেন, যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আবারও তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। আর আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে আত্মগোপনে কিংবা বিদেশে পালাতে পারে মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

ব্যাংকক যাওয়ার উদ্দেশে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ওঠেন সেলিম প্রধান। সেখান থেকেই তাকে নামিয়ে আনে র‌্যাব। এর পর তার গুলশান ও বনানীর অফিস এবং বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া জব্দ করা হয়। হরিণের চামড়া রাখায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে তাকে ছয় মাসের কারাদ- দিয়ে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে মাদক ও অর্থ পাওয়ার ঘটনায় দুই সহযোগীসহ সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে গত বুধবার গুলশান থানায় র?্যাব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও মানিলন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করে।

এর মধ্যে সেলিম প্রধানের সব ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সেলিম প্রধানের সঙ্গে আর্থিক খাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তার জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপারসে বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই ছাপা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট ও অফিসের নথিপত্রও ছাপানো হয় সেখানে। তার এ প্রতিষ্ঠান রূপালী ব্যাংকের শীর্ষ ঋণখেলাপির একটি। ২০১৮ সালে ঋণটি পুনঃতফসিল করা হয়। তার কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

advertisement