advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পদবঞ্চিত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের গেজেটভুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৮
advertisement

সরকারিকরণ থেকে বাদ পড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত প্রধান শিক্ষকরা দ্রুত গেজেটভুক্তির দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের গ্রেডেশনসহ সব ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কার্যকর, চাকরিকাল গণনা করে পদোন্নতি, টাইম স্কেলসহ সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির দাবিও জানান তারা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সদ্য সরকারিকরণ থেকে বাদ পড়া শিক্ষকরা এসব দাবি জানান।

বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষে নওগার কাঁকনসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুল গফুর

বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ হাজার প্রধান শিক্ষক গেজেটভুক্ত হতে পারছেন না। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ৪ জন সহকারী ও একজন প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই ঘোষণা অনুসারে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ের জন্য ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ১৭-১৮ হাজার জনকে প্রধান শিক্ষকের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাকি শিক্ষকদের ব্যাপারে ২০১৩ সাল থেকে দফায় দফায় বৈঠক ও আশ্বাসের পরও গেজেটভুক্ত না করে অন্যায়ভাবে প্রায় ৬ হাজার প্রধান শিক্ষককে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত করা রাখা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ ফিরে পেতে বাধ্য হয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হই এবং রিট পিটিশন মামলাসহ বেশ কয়েকটি রিট পিটিশন মামলা করা হয়।

হাইকোর্ট এই রিট পিটিশন মামলায় ‘রিট প্রদানকারী শিক্ষকরা অবসরগ্রহণকালীন পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকবেন’ মর্মে আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের এই আদেশ উপেক্ষা করে উল্লেখিত প্রধান শিক্ষকদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শত শত মামলা হওয়ার পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল ২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর গেজেটভুক্ত না হওয়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেটভুক্ত করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি ফাইল পাঠান। তৎকালীন মন্ত্রী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফাইলটি সচিব মহোদয়কে উপস্থাপনের আদেশ দিলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত সেই ফাইলটি উপস্থাপন করা হয়নি।

মানববন্ধনে বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশের খুনিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর মো. গিয়াস উদ্দিন, পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেএম মনির প্রমুখ।

advertisement