advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে এবার তুরস্ককে হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০২:০৭
advertisement

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে বেশ বিপাকে পড়েছে সেখানকার কুর্দি যোদ্ধারা। তবে এবার ট্রাম্প তুরস্ককে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মাত্রা অতিক্রম করলে তুরস্কের অর্থনীতি ধসিয়ে দেওয়া হবে। গতকাল এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

হোয়াইট হাউস গত রবিবার আকস্মিক ঘোষণা দেয়Ñ তুরস্কের উত্তরাঞ্চল থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। সেখানে তুরস্ক অভিযান চালালে তারা অভিযানে অংশ নেবে না। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তে সমালোচনা করেছেন খোদ রিপাবলিকান দলের নেতারাই। এ ছাড়া কুর্দিরা একে ‘পিঠে ছুরি’ মারার সঙ্গে তুলনা করেছে।

ওই অঞ্চলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী লড়াইয়ে কুর্দি যোদ্ধারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোদ্ধা হিসেবে লড়াই করেছে কুর্দিরা। কিন্তু এই কুর্দিদের শত্রু হিসেবে মনে করে তুরস্ক। সম্প্রতি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে ‘নিরাপদ এলাকা’ গঠনের লক্ষ্যে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমন সময় যুক্তরাষ্ট্র ওই এলাকা থেকে নিজেদের সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার কৌশল গ্রহণ করে। এটি মূলত তুরস্ককে পথ করে দেওয়ার মতো ঘটনা।

কেননা যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে তুরস্ক সহজেই কুর্দিদের হঠিয়ে দিতে সক্ষম হবে। তবে সর্বশেষ টুইটে ট্রাম্প তুরস্ককে সতর্ক করলেন। ট্রাম্প তার সিদ্ধান্তের সুযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে তুরস্ককে সতর্ক করে দিয়েছেন। ধারাবাহিক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, তুরস্কের অর্থনীতিকে তিনি ধ্বংস ও বিলুপ্ত করে দিতে পারেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, তাদের লক্ষ্য হলো সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করা আর তুরস্কে বসবাসরত ৩৬ লাখ সিরীয় শরণার্থীর মধ্যে ২৬ লাখ শরণার্থীর জন্য একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলা।

এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, সিরিয়াজুড়ে প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। তুরস্কের সীমান্তবর্তী ওই এলাকা থেকে মাত্র দুই ডজন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা এসেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এমন দাবি করেছেন।

advertisement