advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাজার তদারকির বিকল্প নেই

৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৯
advertisement

বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। কিন্তু এখনো তার প্রভাব পড়ছে না খুচরা বাজারগুলোয়। প্রতিদিনের রান্নায় জারুরি এ মসলাপণ্যটির দাম এখনো রয়ে গেছে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের সামর্থ্যরে বাইরে। দাম বাড়ার পর ব্যবসায়ীরা বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেন। মিয়ানমার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন পেঁয়াজ আমদানি হতে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েও তিনটি চালানে মিসর, মিয়ানমার ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। আবার গত শুক্র ও শনিবার কয়েকটি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়। নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আগে এসব পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়েছিল। তার পরও পেঁয়াজের দাম আশানুরূপ কমেনি।

পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মূলত দেশে পৌঁছামাত্রই কারসাজি করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন আমদানিকারকরা। তাদের নির্ধারিত দামেই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে পাইকারদের। ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। তারা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা কেজি এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। অথচ বাজারে এখন পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তবু এর প্রভাব পড়ছে না খুচরা বাজারগুলোয়।

দেশের বাজারে কেউ অতিরিক্ত মুনাফা লাভের চেষ্টা করছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা দরকার। এ বিষয়ে কারও অপরাধ প্রমাণ হলে তাকে যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা ছাড়া আমদানিনির্ভরতাও কমিয়ে আনতে হবে। আবার নির্ভরতা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করলে বাজার অস্থির হওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না।

advertisement