advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

উইপোকা সব উইংয়ে : চলুক অভিযান

৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৯
advertisement

ছাত্রলীগ দিয়ে শুরু হওয়া অভিযান যুবলীগ হয়ে আবার ছাত্রলীগে। বিশ্বজিৎ থেকে আবরার। জগন্নাথ থেকে বুয়েট বা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েট। দুর্বৃত্তায়ন ও অপরাজনীতির আরেক বলি হলো বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার। ছাত্র, যুবসহ গোটা দলে যখন শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা, তখন ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার নেতাকর্মীদের নিষ্ঠুর শিকার আবরার। ঘটনায় জড়িত ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে ছাত্রলীগ থেকে।

আবরার ছাত্রলীগ করতেন না। ভিন্ন কোনো সংগঠনও করতেন না। ফেসবুকে লিখেছিলেন দিল্লিতে দুদেশের সই হওয়া সমঝোতার কিছু বিষয় নিয়ে। বুয়েটের বড় ভাইদের সেটা পছন্দ হয়নি। তার ফেসবুকের স্ট্যাটাস দেখে তাদের মনে হয়েছে সে শিবির করে। অতএব পিটুনিতে জান শেষ।

বুয়েট শিক্ষার্থী মানেই মেধাবী। পিটিয়ে মেরে ফেলার শিকার উচ্চতর প্রকৌশল শিক্ষার এ বিদ্যাপীঠের ছাত্র আবরার ফাহাদ মেধাবীদের মধ্যেও মেধাবী। এইচএসএসিতে দেশসেরা নটর ডেম কলেজ থেকে ছিল ঢাকা বোর্ডে টপ টোয়েন্টিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টপ সাবজেক্ট জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং পেয়েছিল। চান্স পেয়েছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজেও। বিদেশের একটি নামকরা প্রতিষ্ঠানে নিউক্লিয়ার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ার সুযোগও পেয়েছিল। কিন্তু ওইসব জায়গায় না গিয়ে আবরার ভর্তি হয় বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগে। আবার তার হত্যাকারীরাও কৃতী-মেধাবী। এ গুণেই তারা বুয়েট স্টুডেন্ট। এমন ভাগ্য ক’জন শিক্ষার্থীর হয়? কিন্তু তা ছাপিয়ে এখন কী এবং কোন পরিচয় তাদের? ছাত্রলীগ, খুনি, চাঁদাবাজ পরিচয়ে কেউ গ্রেপ্তার, কেউ দৌড়ের ওপর।

বুয়েট শেষ করে তারা নিশ্চয় দেশ-বিদেশে উচ্চ পদে যেতেন। একদিন আগে পর্যন্ত এই পরিবারগুলো কত গর্ব করত তাদের সন্তান বুয়েটে পড়াশোনা করে বলে। কিন্তু আজ সবই দুঃস্বপ্ন। একটি মৃত্যু এতগুলো পরিবারকে তছনছ করে দিল। এই মেধাবীদের কে-কারা নিল এ পথে? বুয়েটে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। মাত্রায় বেশি হওয়ায় মৃত্যুর ঘটনা প্রথম। এর আগেও অনেক শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। সহপাঠীরা বলছেন, বুয়েটে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রতিনিয়তই এ রকম ঘটনা ঘটছে। পার্থক্য শুধু এবার একজন মারা গেছে, অন্য সময় মরেনি। বিচার না হওয়ার কারণে বারবার এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। মেধাবীরাই পিটিয়েছে মেধাবীদের। সাধারণ জ্ঞানে বলতেই হয় এরা সম্রাট, খালেদ গোত্রের নয়। শোভন-রাব্বানী ধরনেরও নয়। চিরকুটে ভর্তি হওয়া কলঙ্কিত ছাত্র নয় মোটেই।

শোভন-রাব্বানীরা অভিযানে পড়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজির জেরে। এর পর ক্যাসিনো অভিযানের এক পর্যায়ে টার্গেট হন যুবলীগ নেতারা। ধরা পড়েন খালেদ-সম্রাটরা। এ তালিকায় যোগ হন কৃষক লীগ নেতা ফিরোজ ও বিএনপি ঘরানার লোকমান ভুঁইয়াও। ক্যাসিনোর বাইরে ধরা পড়াদের মধ্যে বেশি আলোচিত টেন্ডারবাজ জিকে শামীম। ওই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান কি শুধু ক্যাসিনো বন্ধের মধ্যে সীমিত থাকবে? অন্য দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে যাবে না? এখন পর্যন্ত অভিযানটির নামও দেওয়া হয়নি। ক্যাসিনোবিরোধী, দুর্নীতিবিরোধী, সন্ত্রাসবিরোধী ইত্যাদি নামে চলছে। শুদ্ধি অভিযানও বলছেন কেউ কেউ। সেখানে প্রশ্ন এসেছেÑ কোন সংগঠন, কাকে বা কোন সেক্টরকে শুদ্ধ করার উদ্দেশ্য? অবস্থা যে পর্যায়ে গেছে সেখানে অভিযানটির একক নাম দেওয়া কঠিন। অপরাধ শুধু এক জায়গায় নেই। কেবল একক কোনো গোষ্ঠীও অপরাধ করে না। প্রধানমন্ত্রী এদের নাম দিয়েছেন উইপোকা।

এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দুর্নীতিবাজ উইপোকারা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকালে অর্থ লুটে নিচ্ছে। এর আগে নিউইয়র্কে তিনি বলেছিলেন, দুর্নীতি না থাকলে দেশের চেহারা বদলে যেত। স্বাধীনতার পরও ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণির নেতাকর্মী দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বঙ্গবন্ধু ওদের নাম দিয়েছিলেন চাটার দল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবহার করেছেন আরেকটা প্রচলিত বাংলা উইপোকা। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় উলুপোকা, ঘুণপোকা ইত্যাদিও বলা হয় এই পোকাটিকে। এই জাত বা প্রজাতির পোকা ভেতর থেকে সব খেয়ে ফেলে। শুরুতে বা অন্তত মাঝপথে না দমালে পরে আর কিছুই করা যায় না। গোটা ভা-টার নিঃশেষ হওয়া মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। প্রধানমন্ত্রী জেনে-বুঝেই প্রয়োগ করেছেন শব্দটি। কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ করে কাউকে জনমের শিক্ষা দেওয়ার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একেবারে ইউনিক। প্রতিপক্ষের বাইরে নিজ দল ও জোটেও অনন্য মাত্রায় তার অ্যাকশনের বৈশিষ্ট্য। বহু বাঘা-বাঘাকে তিনি বিড়াল বানিয়ে দিয়েছেন।

সরকারি দলের নেতাকর্মীরা, এমনকি সমর্থকরা পর্যন্ত চিরকাল সব দেশে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বেশি ভোগ করেন। মানুষ এটাকে স্বাভাবিক প্রথা হিসেবে মেনে নিতে অনেকটা বাধ্যগত। তাই বলে এ পর্যায়ে? হতে-হতে, চলতে-চলতে এরা এখন ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। ম্যানেজ-ম্যাকানিজমে তারা একেকজন সম্রাট-মহাসম্রাট। রাজা-মহারাজা। ঘরে-বাইরে তারকা খ্যাতি পাচ্ছে তারা। এ ভোগবাদের স্পৃহা একজনকে দেখে আরেকজনের মধ্যে সংক্রমিত হচ্ছে। শুধু জেগে উঠছে না, আরও বেশি ভোগের আকাক্সক্ষা জাগিয়ে তুলছে। তাই শুদ্ধি অভিযানে দৃশ্যমান অনেক ঘটনার পরও কিছুতেই দম নিচ্ছে না এ দানবরা। এদের বিচরণ সব সেক্টরে। সব উইংয়েই। রূপপুরের বালিশ-কা-ের পর বাজারে আসে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পর্দা-কা-। সেখানে রোগীকে আড়াল করার পর্দা কিনতে দাম দেখানো হয়েছে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই কা-ে কেউ ভয় পায়নি। বরং উৎসাহিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়িয়ে গেছে রূপপুর এবং ফরিদপুরকে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যন্ত্রপাতি ও আসবাব কেনার প্রাক্কলিত অর্থের বিবরণ রূপকথাকেও হার মানায়। একটি বালিশ এবং একটি বালিশ কাভারের দাম ধরা হয়েছে বাজার দামের ৩০ গুণ বেশি। একই ধরনের যন্ত্রপাতির দামের পার্থক্য ৫০০ গুণ। ফরিদপুরে এত দাম দিয়ে পর্দা কেনা হলেও ব্যবহার নেই বছরের পর বছর। একই অবস্থা বাকি বেশিরভাগ যন্ত্রেরই। এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য সাড়ে ৬ হাজার টাকা একেকটি বালিশ কেনার ইস্যুও নিউজ ভ্যালু ছাড়িয়ে মানুষের বিনোদন আইটেম হয়ে গেছে। এর ফাঁকেই বাজারে এসেছে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের জন্য সাড়ে ৫ হাজার টাকা দামের প্রতিটি বই ১৭ গুণ বেশি দামে সাড়ে ৮৫ হাজার টাকা করে কেনার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের খবর।

স্পিড মানির স্বীকৃতি পেয়ে ঘুষকে সহনীয়-বরণীয় করেছেন আমলাদের অনেকে। সরল বিশ্বাসে তাদের ঘুষে গুনাহবোধ চলে গেছে কবেই। সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের সম্রাটও দেশে কম নয়। পাচার নয়, লেনদেন ভেবে নিজেদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করে যাওয়া মহাজনরাও একেবারে অচেনা নন। দুদক চেয়ারম্যান মলা-ঢেলা, চুনোপুঁটির সঙ্গে রুই-কাতলা ধরবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েই যাচ্ছেন। এই লুটেরা প্রজাতির তালিকা এখন বেশ দীর্ঘ। অগুনতি উইপোকা রাজনীতি-প্রশাসনসহ সমাজের স্তরে-স্তরে। বিশাল সাম্রাজ্য তাদের। এর বাইরে রাষ্ট্রীয় কেনাকাটায় লুটোপুটির খেলারামরা এগিয়ে গেছেন অন্যদের ছাড়িয়ে। বিভিন্ন সেক্টরে লুটপাট বা হরিলুটের এ সংস্কৃতি বেশ ধাবমান। মাঝে মধ্যে দু-একটা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। আগেরটা মানুষ ভুলে যাচ্ছে। পরেরটা নিয়ে কয়েকদিন চলে মাতামাতি। ততক্ষণে আবার এর সপক্ষে সাফাই যুক্তিও চলে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় নিরাপদ পানি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে উগান্ডা বা পুকুর খোঁড়া শিখতে কোটি কোটি টাকায় বিদেশ সফরেরও একটা যুক্তি হয়তো চলে আসবে। এরই মধ্যে লিফট দেখতে ময়মনসিংহ কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগুরুদের বিদেশ সফরনামাও এসেছে বাজারে। এরা কেন বাদ থাকবে অভিযান থেকে? ডিআইজি মিজান, ওসি গনি পাঠান, মোয়াজ্জেম, ডিসি কবীর, উপসচিব রেজাউল করিম রতনরা কি অর্থবিত্তের পাশাপাশি নারী বিষয়েও কম দুর্বৃত্ত? তারা কি পড়বে না এ অভিযানে?

আবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি এবং দলবাজ শিক্ষকরা কী সব করে বেড়াচ্ছেন, সেসবের কিছু কিছু প্রকাশ পাচ্ছে। তারা বিচার বা অভিযানের ঊর্ধ্বে? আওয়ামী লীগ সরকারেরই একজন সাবেক মন্ত্রী বলেছেন, গত ১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। অভিযান সফল করতে হলে এসব অর্থ লোপাট ও পাচারকারীদের কি পাকড়াও করার দরকার নেই? এরা একা নন। যূথবদ্ধ। তাদের একের লুঙ্গি অপরের সঙ্গে এমনভাবে বাঁধা এরটা ধরে টানলে ওরটাও খুলে আসে। যতদিন এই উইপোকারা দমনের বাইরে থাকবে ততদিন সম্রাটরা উৎপাদন হতেই থাকবে।

অভিযান প্রশ্নে অতীতের কিছু ঘটনা স্মরণ না করলেই নয়। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অভিযানের কথা অবশ্যই স্মরণযোগ্য। তিনি নিজ দলের দুর্বৃত্তদের চোর-ছেচ্চর, চাটার দল ইত্যাদি বলে সরল স্বীকারোক্তি ধরনের গালমন্দ করেছেন। ভালো হয়ে যেতে ওয়ার্নিং দিয়েছেন। অনুরোধ করেছেন। আবেদন করেছেন। কিন্তু তারা শুদ্ধ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সেনাবাহিনী নামিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। এতে ধরা পড়া চোর, কালোবাজারি, স্মাগলার, পারমিটবাজ, অস্ত্রবাজদের সব আওয়ামী লীগার। দলের নেতা আর কাছের লোকদের চাপে এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করেন বঙ্গবন্ধু। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া অপারেশন ক্লিনহার্ট নামে সেনাবাহিনী দিয়ে একটি অভিযান চালান। এতে ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মরতে থাকে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের ক্যাডাররা। এক পর্যায়ে থেমে যায় অপারেশন ক্লিনহার্ট। এমনি এমনিতেও অনেকের মনে পড়ছে সেসব কথা। ভাবনায় কত কিছু উঁকি দিচ্ছে সাম্প্রতিক অভিযানটি নিয়েও। প্রধানমন্ত্রী বা সরকারের এ থেকে পেছানো বা শেষ না দেখে অভিযান ক্ষান্ত দেওয়ার সুযোগ নেই। সে রকম কিছু করলে হিতে বিপরীত হওয়ার শঙ্কা থেকে যায়।

বুয়েট ছাত্রলীগের এ মর্মপীড়াদায়ক কা-ের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভিন্নমতের কাউকে মেরে ফেলা গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু বাস্তবে এ ঘটনাকে গ্রহণযোগ্য করার চেষ্টাও ব্যাপক। একে গ্রহণযোগ্যের আওতায় আনতে শিবির-মদকে সামনে আনা হচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে, তাকে মারা হয়েছে শিবির সন্দেহে। ঘটনার সময় ওরা মদ্যপ ছিলÑ এমন তথ্যও বাজারজাতের চেষ্টা হচ্ছে। অর্থাৎ দোষ মদ আর শিবিরের। মদ খাওয়া অবস্থায় না থাকলে তারা তাকে মারত না, শিবির সন্দেহ না হলেও মারত নাÑ এমন দুষ্ট চর্চা নষ্টামির চেয়েও বেশি কিছু। বিরোধীমতের লোকদের রাজাকার, জামায়াত-শিবির ট্যাগ মেরে ফেলা তত্ত্ব বোধ-বিবেচনাহীন করে তুলেছে এই প্রজন্মকে। এই ধারাকে উৎসাহিত করার কুশীলব অনেক। অপরাধীদের বাঁচাতে অনুপ্রবেশকারী, সাবেক বিএনপি-জামায়াতের নাম প্রচারের কৌশলও একটি বিমারির মতো। এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদেরও শুদ্ধ করার দাবি রাখে।

মোস্তফা কামাল : সাংবাদিক-কলামিস্ট; বার্তা সম্পাদক, বাংলাভিশন

advertisement