advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রতিমা বিসর্জনের সর্ববৃহৎ আয়োজনে কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক কক্সবাজার
৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১২
advertisement

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার শেষ হয়েছে এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে গতকাল বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে নেমেছিল লাখো মানুষের ঢল। পুরো সৈকত যেন পরিণত হয়েছিল নানা ধর্মবর্ণ মানুষের মিলনমেলায়; ছিলেন বিদেশি পর্যটকরাও।

এদিন দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা বহনকারী ট্রাকগুলো সৈকতের দিকে আসতে থাকে। এ উপলক্ষে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। দুপুর ৩টার পর থেকে সৈকতের লাবণী পয়েন্ট লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। এ সময় সবার কণ্ঠেই ছিল অসুরবিনাশী দেবী দুর্গাকে আগামী বছর আবার ভক্তদের মধ্যে ফিরে আসার আহ্বান।

শুধু কক্সবাজার জেলা নয়, এদিন বিসর্জন দেখতে সৈকতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছিলেন অনেকে। যশোরের ব্যানার্জি পাড়া থেকে আসা পর্যটক রাহিদ ও শর্মিলা বলেন, এখানে বিসর্জন দেখার জন্য এসেছি, সত্যিই খুব ভালো লাগছে। মৌলভীবাজার থেকে আসা পর্যটক নাসির, রফিক বলেন, সৈকতে নানা ধর্ম-বর্ণ মানুষের মিলনমেলা দেখে খুব ভালো লাগছে। এই দৃশ্যটি দেখার জন্যই আমরা কক্সবাজারে ছুটে এসেছি।

সৈকতের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে চলে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট রণজিৎ দাশের সভাপতিত্বে সেখানে বক্তব্য দেন স্থানীয় এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল, এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, এমপি কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, টুরিস্ট পুলিশের সুপার জিল্লুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা প্রমুখ।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা বাবুল শর্মা জানান, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিসর্জন কক্সবাজার সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছরও জেলার ২৯৬টি পূজাম-পের প্রতিমা নিরঞ্জন দেওয়া হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এই নিরঞ্জন অব্যাহত ছিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত।

advertisement