advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছাত্রলীগের ‘টর্চার সেল’ নিয়ে গণতদন্ত করবে শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:১২ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:১২
ছবি: সংগৃহীত
advertisement

দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নির্যাতন ও টর্চার সেলের বিষয়ে গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ে মিলে এ কমিশনের রিপোর্ট প্রস্তুত করে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ছাত্রলীগের অত্যাচার ও নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকরা। 

আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে নিপীড়নবিরোধী অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশে এ কথা জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। 

এ সময় আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের নির্যাতনের কারণে অনেক শিক্ষার্থী আমাকে তদন্ত কমিটি গঠন করে নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরার কথা বলেছে। কিন্তু আমি ঘোষণা করতে চাই শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, পাশাপাশি এ কমিটিতে শিক্ষকরাও অংশ নেবেন। কমিটি নির্যাতনের চিত্র সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘আমরা সবাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গেস্টরুম-গণরুমের কথা জানি। বুয়েটে প্রায় প্রতিদিন রাতেই কাউকে না কাউকে টর্চার সেলে অত্যাচার করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একই অবস্থা। আমরা জানি, এই সমাবেশের পর গণরুম-গেস্টরুম বন্ধ হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর বিন্দুমাত্র বিচলিত হবেন না। তারা সরকারের কথা অনুযায়ীই চলবেন।’

আবরারের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘কেউ শিবির করলে তার সেই অধিকার আছে কি না, সেটা আগে দেখতে হবে। বুয়েটে যে শিক্ষার্থীকে মারা হয়েছে, সে তো শিবিরও ছিল না। তার পরিবার তো আওয়ামী লীগের সমর্থক। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে দেশে গুণ্ডামিতন্ত্র কায়েম হচ্ছে। এর ফল সরকারকে ভোগ করতে হবে।’

এ সময় সমাবেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।

advertisement