advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমাকে মেরে ফেলুন, বাবা-মা কষ্ট একবারে পাবে : আবরারের ভাই

অনলাইন ডেস্ক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩২ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:০৭
advertisement

ছাত্রলীগের নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভের কারণে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন তার ছোট ভাই আবরার ফায়াজ। গণমাধ্যমের কাছে এ ঘটনার অভিযোগও করেন তিনি।

গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে আবরার ফাহাদের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে দিকে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন মারধরের শিকার ফায়াজ।

ফায়াজের পোস্টটি তুলে ধরা হলো:

আজকে Additional SP (উনি বলেন, উনার নাম মোস্তাফিজুর রহমান) কোথা থেকে সাহস পায় আমার গায়ে হাত দেওয়ার? আমার ভাবিকে মারছে? নারীদের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে হাত দেয়? এই চাটুকারদের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২ মিনিটে জানাজা শেষ করতে বলেন কীভাবে? যেই ছাত্রলীগ মারল, তারা কেন সর্বত্র? আমার বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে, আপনার আর এক ছেলে ঢাকা থাকে আপনি কি চান তার ক্ষতি হোক? গ্রামে বলা হয়েছে কেউ কিছু করলে ১ সপ্তাহ পর গ্রামের সব পুরুষ জেলে থাকবে। বিচার চাই, আমি বিচার চাই, নয়তো আমাকে মেরে ফেলুন, বাবা-মা কষ্ট একবারে পাবে।

আবরারের ভাই আবরার ফায়াজের ফেসবুক পোস্ট

 

এর আগে দুপুরে আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়েন বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। এতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন তিনি।

এ সময় নিহত আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজ পুলিশের মারধরের শিকার হয়েছে বলে গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন। এ ছাড়া তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার পরে আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আবরারের ছোট ভাই। আজ আমাদের এখানে ভিসি সাহেব এসেছিলেন। এখানে এসে তার আমার আম্মুর সাথে দেখা করা উচিত। সে এখানে তো দেখা করতে আসলেনই না, বরং সে যখন ফিরে যাচ্ছিলেন এবং আমি তার সাথে তখন কথা বলতে যাই।’

ফায়াজ আরও বলেন, ‘তখন এখানকার দায়িত্বে থাকা অ্যাডিশনাল এসপি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোস্তাফিজুর রহমান আমার বুকে কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন। গতকালকেও যখন আমার ভাইয়ের জানাজা হয় তিনি বলেছিলেন, দুই মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে হবে। কীভাবে তিনি এটা বলেন? এখানে আমার ভাবি ছিল, তাকে বেধড়কভাবে পুলিশ দিয়ে মারা হয়েছে। তার কাপড়-চোপড় টেনে শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের কোন ধরনের পুলিশ?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভীর আরাফাত আজ সন্ধ্যায় দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘এসব মিথ্যা কথা। এখানে সবাই উপস্থিত আছেন। এসব মিথ্যা প্রগাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। কোনো সংঘর্ষের ঘটনাই ঘটেনি। চর থাপ্পড়দের ঘটনাও ঘটে নাই।’

advertisement