advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মানি লন্ডারিং মামলায় সেলিম প্রধান রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি

আদালত প্রতিবেদক
৯ অক্টোবর ২০১৯ ২২:২৭ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০১
সেলিম প্রধান (পুরোনো ছবি)
advertisement

কারাগারে থাকা অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার মূলহোতা সেলিম প্রধান ও তার দুই সহযোগীর মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি।

গতকাল বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম খান মামলাটিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। 

ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর শুনানি শেষে আগামী ১৩ অক্টোবর আসামিদের উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোনহ রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন- মো. আক্তারুজ্জামান ও মো. রোমান।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে সেলিম প্রধানের ব্যাংকক যাওয়ার উদ্দেশে টিজি ৩২২ নম্বর ফ্লাইট ওঠেন। সেখান থেকেই তাকে নামিয়ে আটক করা হয়। আটকের পর তার গুলশান ও বনানীর অফিস এবং বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করে র‌্যাব।

হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। পরে মাদক ও অর্থ পাওয়ার ঘটনায় দুই সহযোগীসহ সেলিম প্রধান বিরুদ্ধে গত বুধবার গুলশান থানায় র‌্যাব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানিলন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করে।

গত ৩ অক্টোবর মাদক আইনের মামলায় আসামিদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে গত ৮ অক্টোবর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

সেলিম প্রধানের সঙ্গে আর্থিক খাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তার জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপারসে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই ছাপা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট ও অফিসের নথিপত্রও ছাপানো হয়। তার এই প্রতিষ্ঠান রূপালী ব্যাংকের শীর্ষ ঋণখেলাপির একটি। ২০১৮ সালে ঋণটি পুনঃ তফসিল করা হয়। সেলিমের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

advertisement