advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফাহাদ হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িতদের কঠিনতম শাস্তি হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কে ছাত্রলীগ বা কী জানি না। অপরাধী অপরাধীই, অন্যায়কারীর বিচার হবে। কেউ যদি কোনো অপরাধ করে, সে কোন দল করে, কী করে, তা আমি দেখি না। জাতিসংঘ ও দিল্লি সফর সম্পর্কে জানাতে গতকাল বুধবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর লিখিত বক্তব্যের পর তার উদ্দেশে সাংবাদিকদের দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল ফাহাদ হত্যা প্রসঙ্গে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকালে ঘটনা শুনে আমি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলাম আলামত সংগ্রহ করতে,

সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে। ছাত্ররা নামার আগেই আমরা তৎপরতা শুরু করি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোথায় কে ছিল সব কটাকে গ্রেপ্তার করতে বলেছি। তবে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার পর সেটি আনতে দেবে না (শিক্ষার্থীরা)। আমার মনে প্রশ্ন দেখা দিলÑ এটি কেন? হত্যাকারীদের কেউ কি এর মধ্যে আছে যে ফুটেজ প্রকাশিত হলে তাদের পরিচয় বের হয়ে যাবে কিনা। পরে তারা ফুটেজ নিয়ে এলো এবং কর্তৃপক্ষকে একটা কপি দিয়ে এলো।

তিনি বলেন, একটা বাচ্চা ছেলে, ২১ বছর বয়স। তাকে হত্যা করা হলো। মারা হলো পিটিয়ে পিটিয়ে। কী অমানবিক! পোস্টমর্টেম রিপোর্টটা দেখেছি। সব ইনজুরি ভেতরে। একটা কথা আমার মাথায় এলো। ২০০১ সালে আমাদের নেতাকর্মীদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মারা হতো এমনভাবে যাতে বাইরে থেকে বোঝা যেত না। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ পর্যন্ত কত হত্যা হয়েছে। ছাত্রদল বুয়েটে টেন্ডারবাজি করতে গিয়ে সনিকে হত্যা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে তারা আমার পার্র্টির এটি আমি কখনই মেনে নেব না। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকেছি। তাদের বহিষ্কার করতে বলেছি এবং পুলিশকে বলেছি অ্যারেস্ট করতে। এই বুয়েটে আমাদের অনেক নেতাকর্মীকেও তো হত্যা করা হয়েছে। কেউ কোনো দিন বলেছে, কেউ অ্যারেস্ট হয়েছে? এটি করা হয়নি।

বুয়েটের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা ছাত্র মারা গেছে, তাদের মনে ক্ষোভ আছে, দুঃখ আছে, তারা সেটি দেখাচ্ছে। আন্দোলন করছে, করুক। আমরাও তো আন্দোলন করে করেই তো এই জায়গায় এসেছি। আন্দোলনের বিরুদ্ধে তো আমি কখনো যাই না। আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি তারা দূরে থাকবে। কিন্তু তাদের নিজেদের ভেতরেই যদি কিছু হয় তো সেটির দায়িত্ব কে নেবে? সে দায়িত্ব তো আমরা নিতে পারব না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ ধরনের মানুষ খুন করতে পারে, তারা অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছেÑ এই সিকিউরিটিটা কীভাবে দেওয়া হবে? তারা ভিসিকে আলটিমেটাম দিল, ভিসি কিন্তু সেখানে গেল, তারা ভিসিকেই আটকালো। ভিসির সঙ্গে যে সুরে যেভাবে কথা বলছে, কে ছাত্র কে ভিসি সেটিই তো বোঝা মুশকিল। ছাত্রদের আচার-আচরণ অন্তত সম্মানজনক হওয়া উচিত। তার হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলছে, এক্ষুনি এটা পাস করতে হবে। আমরা মনে করি এরা হচ্ছে সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, তারা এটা বোঝে না?

বুয়েট চাইলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে

এক প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি নেই, বুয়েট মনে করলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে। এখানে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। এই যে ছেলেটাকে হত্যা করল, এটি তো কোনো রাজনীতি নয়। বসুনিয়াকে (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রাউফুন বসুনিয়া) যে হত্যা করেছিল সেটি রাজনৈতিকভাবে।

তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে দিতে হবেÑ এটি তো সামরিক স্বৈরশাসকদের কথা। এখানে রাজনীতিটা কোথায়? এর কারণটা কোথায়? এটি খুঁজে বের করতে হবে। এই দেশে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা কিন্তু ছাত্ররাই নিয়েছে। সেই ছাত্রলীগ করা থেকেই আমাদের ভাষা আন্দোলন। আমাদের দেশের নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্ররাজনীতি থেকেই। আমি ছাত্ররাজনীতি করেই এখানে এসেছি। দেশের ভালোমন্দ চিন্তাটা আমার মাথায় ছাত্রজীবন থেকে আছে বলেই আমরা দেশের জন্য কাজ করতে পারি। কিন্তু যারা উড়ে এসে বসেন, তারা আসে ক্ষমতা উপভোগ করতে। তাদের কাছে তো দেশের চিন্তাভাবনা থাকে না। আমাদের দেশের সমস্যা হলো বারবার মিলিটারি রুলাররা আসছে আর মানুষের চরিত্র হরণ করে গেছে। ছাত্রদের লোভী করে গেছে। তাদের ভোগবিলাসের লোভ দেখিয়ে গেছে।

সারাদেশে প্রতিটি হলে তল্লাশি হবে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা ঘটনা ঘটেছে বলেই কিন্তু আমি ভাবী না যে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে হবে। তিনি এ সময় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তল্লাশি চালানোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের প্রতিটা হল খুঁজে খুঁজে দেখা হবে। প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল সব জায়গায় সার্চ করা দরকার। কোথায় কী আছে না আছে, খুঁজে বের করা হবে। কারা মাস্তানি করে বেড়ায়, কারা এ ধরনের ঘটনা ঘটায় সেটি দেখা হবে। সামান্য ১০ টাকা বা ২০ টাকা ৩০ টাকা সিট ভাড়ায় একেকজন হলের রুমে থাকবে। তার পর সেখানে বসে এ ধরনের মাস্তানি করবে, সব খরচ বহন করতে হবে জনগণের ট্যাক্সের পয়সা দিয়ে, এটি কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো দলটল আমি বুঝি না।

প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম সম্মেলনে যোগ দিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর আট দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যান। সেখান থেকে ফিরে ৩-৬ অক্টোবর তিনি ভারত সফর করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রতিবেদকরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। গণভবনের সবুজ লনে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য আয়োজিত দুপুরের খাবার শেষে বিকাল সাড়ে ৩টায় ব্যাংকোয়েট হলে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়ে চলে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময়।

বাংলাদেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে না

শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক ও দিল্লি সফরের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। শুরুর প্রশ্নটা ছিল দৈনিক আমাদের সময়ের প্রতিবেদকের, ভারতে এলপিজি ও ফেনী নদীর পানি ত্রিপুরাকে দেওয়ার বিষয়ে সাম্প্রতিক চুক্তি নিয়ে। দিল্লিতে ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর জল্পনা শুরু হয়, বাংলাদেশের গ্যাস সংকটের মধ্যে ভারতে কেন রপ্তানি করা হবে। ওই চুক্তিকে ‘দেশবিরোধী চুক্তি’ আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবি জানায় বিএনপি। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলপিজি প্রাকৃতিক গ্যাস নয়। আমাদের দেশে উৎপাদন হয় না। আমরা যে অপরিশোধিত তেল কিনে নিয়ে আসি, এর বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে একটা অংশ এলপিজি হয়। আমরা বিদেশ থেকে এলপিজি এনে প্রক্রিয়াজাত করে ভারতে রপ্তানি করব। এতে আমাদের ভ্যালু অ্যাড হবে। আমাদের রপ্তানির তালিকায় নতুন একটি পণ্য যুক্ত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ২৬টি প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে আমদানি করা এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে। ১৮টি কোম্পানি নিজস্ব প্লান্ট থেকে এলপিজি প্রক্রিয়াজাত করার সঙ্গে যুক্ত আছে। আমরা ত্রিপুরায় যে গ্যাসটা দিচ্ছি এটি সেই এলপিজি, বটল (সিলিন্ডার) গ্যাস। আমরা আমদানি করছি বাল্কে, বোতলজাত করে নিজেদের দেশে যেমন সরবরাহ করছি, সেই গ্যাসই আমরা কিছু ত্রিপুরায় দিচ্ছি।

বিরোধিতাকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এর বিরোধিতায় সোচ্চার, মানে বিএনপি, ২০০১ সালের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। আমেরিকা গ্যাস বিক্রির জন্য বলেছিল, আমি বলেছিলাম দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমরা তার পর বিক্রি করব। যে কারণে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। আজ যারা গ্যাস বিক্রি করে দিচ্ছি বলছে, তারাই গ্যাস দেবে বলে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, সেটি বিএনপি-জামায়াত জোট। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, তা হতে পারে না।

খাওয়ার পানি না দিলে কেমন দেখায়

ফেনী নদীর পানি দেওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা হয়। এর প্রভাব আমাদের দেশেও পড়ে। চুক্তি অনুযায়ী মাত্র ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি নেবে। কেউ যদি পানি পান করতে চায়, তা যদি না দিই, তা কেমন দেখায়? মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা যদি কিছু চায় আমাদের দিতে হবে। আমাদের মানুষ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছিল। ওখান থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করা হতো। ত্রিপুরা আমাদের জন্য বিরাট একটি শক্তি ছিল। তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি এ সময় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে বলেছিলেনÑ ফারাক্কা চুক্তির কথা ভুলে গিয়েছিলাম। যারা গঙ্গার মতো পানির কথা ভুলে যায়, তারা আবার ফেনী নদীর পানি নিয়ে কথা বলে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রিপুরাকে চট্টগ্রামের বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে। যেটিই করছি তাতে দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

অনিয়ম-দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এ সময় ক্যাসিনো নিয়ে হাস্যরস করে বলেন, যারা অভ্যস্ত হয়ে গেছে (ক্যাসিনো-জুয়া) তাদের জন্য ভাসানচরে ব্যবস্থা করে দেব ভাবছি। একপাশে রোহিঙ্গারা থাকবে আরেক পাশে ক্যাসিনো খেলোয়াড়রা।

শিশুদের উন্নত জীবন চায় সরকার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শিশুদের জন্য মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের থাবামুক্ত উন্নত জীবন নিশ্চিত করা। গতকাল বুধবার বিশ্ব শিশু দিবস এবং শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাসসের খবরে বলা হয়, শিশু একাডেমির ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করবে যাতে আজকের শিশুরা সামনের দিনগুলোয় একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ লাভ করে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আজকের শিশু আনবে আলো, বিশ্বটাকে রাখবে ভালো।’ অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা উপস্থিত ছিলেন।

শিশু একাডেমির চেয়ারম্যন লাকী ইনাম এবং ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ভেরা মেনডোনকা বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। দুই শিশু রওনক জাহান এবং আদিল কিবরিয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং অন্য দুই শিশু মাহজাবিন এবং আবদুল্লাহ আল হাসান শিশুদের পক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখে।

advertisement