advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আজ এসএম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী

নড়াইল প্রতিনিধি
১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৮
advertisement

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১০ অক্টোবর। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তিনি যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান। দিবসটি উপলক্ষে নড়াইল জেলা প্রশাসন এবং এসএম সুলতান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা এবং শিশুস্বর্গে কোরআনখানি, শিল্পীর সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ বিভিন্ন পদকে ভূষিত শিল্পী এসএম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরতলির মাছিমদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবি।

শিশু-কিশোরদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি চারুকলা শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ১০ জুলাই নড়াইলে ‘দি ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন এসএম সুলতান। ১৯৮৭ সালে নিজ বাসভবনসংলগ্ন স্থাপন করেন ‘শিশুস্বর্গ’।

নিজের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ১৯৯২ সালে ৯ লাখ মতান্তরে ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট ভ্রাম্যমাণ শিশুস্বর্গ (দ্বিতল নৌকা) নির্মাণ করেন তিনি। তার শিল্পকর্মে পুটে উঠেছে বাংলার কৃষক, কৃষাণী, জেলে, তাঁতি, কামার-কুমার, মাঠ, নদী, হাঁওর-বাওড়, জঙ্গল, সবুজ প্রান্তর ইত্যাদি। চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি বাঁশি বাজাতে পারতেন তিনি। পুষতেন সাপ, বেজি, বানর, খরগোশ, মদনটাক, ভল্লুক, ময়না, গিনিপিগ, মুনিয়া,ষাঁড়সহ বিভিন্ন পশুপাখি।

চিত্রাপারের লালমিয়া শিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে পেয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দি ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার। এ ছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা পান। সুলতানের স্মৃতিকে ধরে রাখতে শিল্পীর মৃত্যুর পর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিল্পীর বাসভবনসংলগ্ন ২ একর ৫৭ শতক জমির ওপর নির্মিত হয়েছে এসএম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।

advertisement