advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশ্বব্যাংকের কর্মশালায় বক্তারা
শহরে দারিদ্র্য বিমোচন আগামীর চ্যালেঞ্জ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১০
advertisement

চট্টগ্রামে আয়োজিত বিশ্বব্যাংকের এক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, দেশের দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে। কিন্তু ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষ্যম্য বাড়ছে। বিগত দিনগুলোতে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য গ্রামীণ পর্যায়ে অধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সে অর্থে শহরের দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এটা আগামীতে দেশের উন্নয়নে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের পোভার্টি অ্যান্ড ইকুইটি গ্লোবাল প্রাকটিসের পরিচালক ক্যারোলিনা সানচেজ পারামোর সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট মারিয়া ইউজেনিয়া জেনোনি। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইম্যান’র (এইইউডব্লিউ) উপাচার্য প্রফেসর নির্মলা রাও ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান। সমাপনী বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের প্র্যাকটিস ম্যানেজার বেনু বিদানি। কর্মশালায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা আরও বলেন, শহুরে দারিদ্র্য কমাতে শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে। এখানে ধনী ও দরিদ্র মানুষ একই শিক্ষা পায় না। গরিব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবাও নেই। দারিদ্র্যের কারণে তারা পুষ্টিকর খাবার থেকেও বঞ্চিত হয়। অথচ দেখা গেছে, এসব সমস্যা সমাধানের চিন্তা না করে শহরে বড় বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা খুব ভালো নয় জানিয়ে বক্তারা বলেন, পরিকল্পনা সবসময় ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়। মাঠ পর্যায়ে অনেকাংশে তার প্রভাব সঠিকভাবে পড়ে না।

দেশের জিডিপি বৃদ্ধি সম্পর্কে বক্তারা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনের হার বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কৃষির গুরুত্ব কমছে। এটা আমাদের জন্য দুঃসংবাদ।

advertisement
Evall
advertisement