advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কঠোর ব্যবস্থা নিন

১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১৬
advertisement

রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পাশে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) এয়ারপোর্ট পাবলিক টয়লেটের চত্বর ঘিরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বেশ কিছু হোটেল ও দোকান। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়Ñ এসব হোটেল, দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে ওই টয়লেট থেকে। শুধু তা-ই নয় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে ভাড়া আদায়, পানি বিক্রি, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার ধোয়া, শৌচাগারে নির্ধারিত রেটের চেয়ে দিগুণ টাকা আদায়ের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৯০ হাজার টাকা আসে। ওই হিসাবে মাসে তোলা হচ্ছে কমপক্ষে ২৫ লাখ। আর বছরে কয়েক কোটি টাকা। অথচ ডিএনসিসি বলছে, এ টাকার এক আনাও সরকার পাচ্ছে না।

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় কতিপয় নেতাকর্মী ও ডিএনসিসির অসাধু কয়েক কর্মী পাবলিক টয়লেটটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। ক্ষমতাসীন দলের এসব নেতাকর্মীর কারণে বারবার সরকারকে বিব্রত হতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাদের সতর্ক করেছেন। ক্যাসিনো, জুয়া ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দায়ে যুবলীগ, কৃষক লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এতে এই বিতর্কিত কর্মকা- সাময়িক থামলেও বন্ধ হয়নি।

বলার অপেক্ষা রাখে না, উন্নয়নের পথে প্রধান অন্তরায় এই সংঘবদ্ধ দুর্নীতি। মাঠপর্যায়ে সরকারদলীয় উচ্ছৃঙ্খল কতিপয় প্রভাবশালী নেতাকর্মী ও প্রশাসনের দুর্নীতিবাজদের যোগসাজশে দুর্নীতি উন্নয়নের প্রধান বাধা হয়ে পড়েছে। এ জন্য দেশের কাক্সিক্ষত গন্তব্যে পৌঁছা কষ্টকর হবে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার জন্য শুদ্ধি অভিযান সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে আমরা মনে করি, একদম ওপর থেকে নিচÑ সর্বক্ষেত্রে এ অভিযান চালাতে হবে। সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পারলে এ ধরনের অভিযান কোনো ফল দেবে না। তাই সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।

advertisement