advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৯
advertisement

দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার পতন হয়েছিল পুঁজিবাজারে। বুধবারও পতনে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় পুঁজিবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। তবে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।

জানা গেছে, ডিএসইর  প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৬২ পয়েন্টে। ডিএসইতে অপর দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৮ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ১২৪ ও ১ হাজার ৭২৫ পয়েন্টে।

ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫২ কোম্পানির মধ্যে ৬৮টি বা ১৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দাম কমেছে ২৪১টির বা ৬৯ শতাংশ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৩টি বা ১২ শতাংশ কোম্পানির। এদিন ডিএসইতে ৩২০ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা বেশি। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকার।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৮৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৯৮ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৫১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির। সিএসইতে ১৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

 বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩০টি ব্যাংক লেনদেনে অংশ নিয়েছে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ৬টির বা ২০ শতাংশের শেয়ার দর বেড়েছে। কমেছে ১৬টির বা ৫৩ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির বা ২৭ শতাংশ ব্যাংকের।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের আলহাজ টেক্সটাইল মিলসের কারখানা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সুতা বিক্রিতে বাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৬(৭) ও ২০(২)(কঅ) ধারা অনুযায়ী কারখানার কর্মী ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

advertisement