advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৪
advertisement

সরকার সবার জন্য নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জেলা ও উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষের কাছে নিরাপদ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া। আমরা কেবল ঢাকা নয়, বিভাগীয় শহরগুলোতেও নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছি। তিনি এ সময় পানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের জশলদিয়ায় পদ্মা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ফেজ-১), ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝুরায় ওয়েল ফিল্ড কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট (ফেজ-১) এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গান্ধাপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এসব কথা বলেন। রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথম দুটি প্রকল্পের যথাক্রমে ৪৫ কোটি ও ১৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহ এবং শেষের প্রকল্পটির ৫০ কোটি লিটার পানি শোধনের সক্ষমতা রয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলাল উদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি-জিমিং, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু কাং-ইল, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ ও ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবার জন্য নিরাপদ পানি’ সরকারের এই সেøাগানকে ধারণ করে ঢাকা ওয়াসা রাজধানীর বস্তিগুলোতে আইনসম্মত ও নিরাপদ

পানি সংযোগের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে। পর্যায়ক্রমে সব বস্তি পানি সরবরাহের আওতায় আনা হবে।

পানিশোধনে ব্যাপক ব্যয়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের একটা অভ্যাস আছে, কল ছেড়ে রেখেই আমরা সব ধরনের কাজ শুরু করে দেই। কিন্তু সেটা না করে ঠিক যতটুকু দরকার ততটুকু ব্যবহার করতে হবে। এতে হবে কি? পানির বিল কম উঠবে। আমি যতই বলি আপনারা কম পানি ব্যবহার করেন, আপনারা করবেন না। কিন্তু যদি বলি বিল আপনার কম আসবে, টাকা আপনাকে কম দিতে হবে। তখন নিশ্চয়ই সবাই যতœবান হবেন।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎসের মাধ্যমে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা না কমালে আমাদের গুরুতর পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থার জন্য শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় জলাধার নির্মাণ এবং বর্জ্য ও দূষিত পানি নিষ্কাশনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি সেচ কাজেও বৃষ্টি ও ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আমি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, ঢাকা মহানগরীকে পানি সংকটের মধ্যে পাই। সংকট কাটাতে আমরা সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ করি। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরেও একই পরিস্থিতি পাই। আমরা তখন সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট- ২ ও ৩ নির্মাণ করি।

advertisement