advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভারত সফরে দলে থাকতে লড়ছেন ক্রিকেটাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:২৮ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫২
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

চলতি মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আন্তর্জাতিক কোনো খেলা নেই। তাই চলামান জাতীয় লিগের ২১তম আসরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অংশগ্রহণ করছেন ক্রিকেটাররা। বোর্ড থেকেও নির্দেশনা ছিল কমপক্ষে দুই ম্যাচ খেলতে হবে।

নভেম্বরের শুরুতেই আছে ভারত সফর, গুরুত্বপূর্ণ এই সফরের জন্য জাতীয় লিগের পারফর্মেন্সও বিবেচনায় আনা হবে। এ জন্য পাখির চোখ দিয়ে সবগুলো দলের দিকে নজর রাখছেন কোচ হতে শুরু করে নির্বাচকরা।

ক্রিকেটাররাও মনে করছেন এখানে খারাপ করলে বাদ পড়ার শঙ্কা আছে। তাই নিজেদের সেরাটুকু দিয়েই নামছেন মাঠে। চট্টগ্রাম বিভাগ ও ঢাকা মেট্রোপোলিসের মধ্যকার খেলায় ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচটি ড্র হলেও জাতীয় দলের অন্যতম খেলোয়াড় ব্যাট বল হাতে দুর্দান্ত খেলেন। প্রথম ইনিংসে ৬৩ রানের পর দুই ইনিংস মিলিয়ে ছয় উইকেট নেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পাননি।

জাতীয় লিগের এই খেলায় অতিরিক্ত ফোকাসের কথা বলে জানান, ভারত সফরের দলে থাকার জন্য ক্রিকেটাররা প্রাণপণে খেলছেন। বিকেলে মিরপুর শেরে বাংলায় রিয়াদ বলেন, ‘যেহেতু সামনে আমাদের ভারত সফর। এটি একটি বড় সিরিজ। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাসহ সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছে যেন পারফর্ম করতে পারে এবং স্কোয়াডে সুযোগ পেতে পারে। এটাই সবথেকে বড় কথা। যে যেখানেই খেলি পারফর্ম করাটা বড় কথা।’

নভেম্বরেই আছে বাংলাদেশের ভারত সফর। এই সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবেন সাকিবরা। এই টেস্ট সিরিজ দিয়ে টেস্টের বিশ্বকাপখ্যাত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নামবে টাইগারারা।

ব্যাট হাতে মাহমুদউল্লাহ ৬৩ রান করলেও তার আক্ষেপ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ‘যদি তিন অঙ্ক ছুঁতে পারতাম তাহলে আরেকটু ভালো লাগত। আমি চেষ্টাও করছিলাম’, এভাবেই আক্ষেপ প্রকাশ করছিলেন তিনি। তবে বল হাতে ফর্মে ফেরায় স্বস্তিতে আছেন। ইনজুরির কারণে প্রায় টানা সাত মাস বোলিং করতে পারেননি তিনি।

নিজের বোলিং নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমি বোলিংটা সবসময় করতে চাই। আমার মনে হয় এটা আমাকে অতিরিক্ত একটি সুবিধা বা আত্মবিশ্বাস দেয় আমার ব্যাটিংয়ে। সত্যি কথা বলতে মাঝখানে আমার কাঁধের ইনজুরি থাকায় সাত মাসের মতো বোলিং করতে পারিনি। আমি কিছু ওভার বোলিং করতে চাইছিলাম। বোলিং করতে হয়েছে আমাকে, আমার বোলিং প্র্যাকটিসটাও ভালো হলো। আমিও চাচ্ছিলাম যেন যত বেশি ওভার বোলিং করা যায়। এটাই আসলে মূল উদ্দেশ্য ছিল।’

এই ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ ৩৯ ওভার বল করে ৮০ রান দিয়ে ছয় উইকেট। বোলিংয়ে তার ফর্মে ফেরাতে অবশ্যই স্বস্তি দেবে কোচ নির্বাচকদেরও।

advertisement