advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কারাবন্দিরা পেটালেন অনিককে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৭
advertisement

নির্মম নির্যাতনে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যু অন্য সব সাধারণ মানুষের মতোই মেনে নিতে পারেননি হাজতিরা। আর সেটারই বহির্প্রকাশ ঘটেছে ওই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি অনিক সরকারকে পেটানোর মাধ্যমে। রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার

পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে জেতেই ক্ষুব্ধ বন্দিরা হামলে পড়েন অনিকের ওপর। পরে কারারক্ষীদের চেষ্টায় রক্ষা পান। গত শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে সবচেয়ে বেশি নির্মমভাবে পিটিয়েছিলেন বুয়েটেরই আরেক ছাত্র এই অনিক। গুরুতর অবস্থায় দুদফা বমি করলেও তার ভয়ঙ্কর রূপ থেকে রক্ষা পাননি মৃতপ্রায় ফাহাদ। ঘটনার পর দিনই আসামি অনিককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। প্রথম দফা শেষে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে আদালতে যাওয়ার পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হন অনিক। মদ্যপ অবস্থায় তিনি কয়েক দফায় ফাহাদকে মারধর করেছিলেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন জবানবন্দিতে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ হত্যাকা- ফলাও করে প্রচার হওয়ায় এর খুঁটিনাটি জানতে পারেন কারাবন্দিরাও।

এর মধ্যে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দি শেষে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে অনিক সরকারকে বহন করা প্রিজনভ্যান। আনুষ্ঠনিকতা শেষে প্রধান ফটক দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করেন অনিক। সেলে ঢোকার সময় ক্ষুব্ধ সাধারণ বন্দিরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে জেলার মাহবুব ইসলাম বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। যে সময়ে অনিককে মারধর করা হয়েছে বলে খবরে বলা হচ্ছে, তখন কয়েদিরা বন্দি থাকেন। তাই এ ধরনের ঘটনা ঘটার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় হত্যামামলা করেন।

advertisement