advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বুয়েটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন চান বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক কুষ্টিয়া
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৭
advertisement

ছাত্রলীগের নির্যাতনে আবরার ফাহাদ নিহত হওয়ার পর ১০ দফার আন্দোলনে নামেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে মূল দাবিগুলো মেনে নিয়ে গত শনিবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বুয়েট প্রশাসন। এ বিষয়ে নিহত ফাহাদের বাবা বরকতউল্লাহ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শান্ত করার

কৌশল হিসেবে যদি সব দাবি মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, তা হলে আমার ছেলের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে। শনিবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শুধু কাগজ-কলমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিজেদের দায়িত্ব শেষ করলেই হবে না, সব সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দেখতে চান তিনি।

ছেলে হত্যার ঘটনায় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এর আগেও বুয়েট কর্তৃপক্ষ র‌্যাগিং বন্ধের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্তেরই বাস্তবায়ন হয়নি। সেই সময় সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে আজ আমার ছেলেকে অকালে প্রাণ দিতে হতো না।

বরকতউল্লাহ বলেন, ‘বুয়েট কর্তৃপক্ষ অতীতের মতো কাগজ-কলমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক এটি আমি দেখতে চাই না। সব সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’

আবরার হত্যামামলা নিয়ে বরকতউল্লাহ বলেন, এ ধরনের অধিকাংশ মামলা দীর্ঘ সময় নিয়ে বিচারাধীন থাকে। দেখা যায় কয়েক দিন পরেই আসামিরা কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখায়, চাপ প্রয়োগ করে। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় মামলার ১০ আসামির মধ্যে ৬ আসামির সাজা, বাকিরা বেকসুর খালাস পেয়েছে। আমার ছেলে আবরার হত্যামামলায় এমন পরিণতি দেখতে চাই না। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিয়ে শেষ করতে হবে এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হয়ে গত ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (২১) নিহত হন। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

advertisement