advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২২ দিন বন্ধ থাকবে সব কোচিং সেন্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৮
advertisement

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। গতকাল রবিবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সভা সূত্রে জানা গেছে, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা আগামী ২ নভেম্বর শুরু হয়ে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনে ২৫ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ২২ দিন দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী। দীপু মনি বলেন, কোচিংয়ের বিষয়ে আমাদের কঠোর হতে হবে। পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হলো। তবু কেউ কেউ বাইরে তালা লাগিয়ে ভেতরে কোচিং করান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বা কোনো প্রতারণা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি করা হবে কিনা এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের তো ব্যাপার নয়; সেগুলোকে ব্যবহার করে অপরাধীচক্র যেন কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁস বা প্রতারণার মতো কাজ না করতে পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সব গোয়েন্দা সংস্থার তীক্ষè নজরদারি রয়েছে। কাজেই যাদের ধরা হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকায় হয়তো যারা জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থী নয় তাদের সাময়িক অসুবিধা হবে। কিন্তু প্রশ্নফাঁসমুক্ত পরীক্ষার স্বার্থে এর বিকল্প এখনো আমরা বের করতে পারিনি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা কোচিংবাণিজ্যের লাগাম যতদূর সম্ভব পুরোপুরি টেনে না ধরতে পারা পর্যন্ত এ ব্যবস্থা নিতেই হচ্ছে। অভিভাবকদের আহ্বান জানাব তারা যেন প্রশ্নফাঁসের মতো অনৈতিক প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই যুক্ত না হন। কারণ তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ কিন্তু এর ওপর নির্ভর করে। আমরা নিশ্চয়তা দিতে পারি, প্রশ্নফাঁস বন্ধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। কিন্তু এর যদি চাহিদা থাকে তখন প্রতারক গোষ্ঠী সুযোগ নেবে। কাজেই এর যেন কোনো চাহিদাই না থাকে।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশি সাহাবউদ্দিন, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement