advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা আজ

বিশ^বিদ্যালয় প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৫৮
advertisement

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় কয়েকদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চলা আন্দোলনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু গতকাল রবিবার ও আজ সোমবারের জন্য আন্দোলন শিথিল করায় সেই সংশয় কেটে গেছে এবং আজ অনুষ্ঠিত হবে ভর্তি পরীক্ষা। সঙ্গত কারণেই স্বস্তি বোধ করছেন বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে গতকাল গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, আন্দোলন শিথিল করায় তিনি খুশি হয়েছেন।
ভর্তি পরীক্ষার জন্য বুয়েট কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি সম্পর্কে ভিসি বলেন, অন্যান্যবারের মতোই প্রস্তুতি আমাদের। তবে এবার ভর্তি পরীক্ষার আয়োজনে যে অসুবিধাগুলো ছিল সেগুলো দূর করার ব্যাপারে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রীর অনেক অবদান রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন সমস্যা উত্তরণে।
পরীক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে ভিসি বলেন, আজ মূল জিনিসটা হচ্ছে পরীক্ষা নেওয়া। এতজন ছাত্র আসবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তারা এসে যেন কষ্ট না পায় এবং পরীক্ষা দিয়ে যেন ভালোভাবে যেতে পারে, আমরা সে চেষ্টা করেছি।
আন্দোলন স্থগিত করায় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভিসি বলেন, আমাদের ছাত্র ভাইদেরও ধন্যবাদ জানাই এ জন্য যে, তারা বুঝেছে এটা আমাদের প্রেস্টিজের ব্যাপার। আমরা আজ ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারছি তাদের সহযোগিতার কারণে। তিনি বলেন, ওরা (আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী) প্রথমে রাজি ছিল না। এর পরও বুঝতে পেরেছে। আল্লাহ তায়ালা ওদের বুঝ দিয়েছেন। এজন্য আমি খুশি এবং তাদের প্রতি আমার অনেক অনেক স্নেহ-মমতা রইল। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ফের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের ক্লাসে ও পরীক্ষায় ফেরাতে কিছু করছেন কিনাÑ এমন প্রশ্নে ভিসি বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব। আমরা এ মুহূর্তে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে মনোযোগী। এটা আগে শেষ করে নিই।
বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পিটিয়ে হত্যা করার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। তাদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে অবৈধভাবে থাকা শিক্ষার্থীদের হলত্যাগ এবং ছাত্ররাজনীতি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত নোটিশও জারি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, যোগ্যতার বিচারে ভর্তি পরীক্ষার জন্য এ বছর অনলাইনে আবেদন জমা পড়েছিল ১৬ হাজার ২৬৮ জনের। এর মধ্যে ১২ হাজার ১৬১ জনকে বাছাই করা হয়েছে।

advertisement