advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আবরার হত্যায় দায় স্বীকার করলেন রবিন

আদালত প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৩৮ | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩৪
মেহেদী হাসান রবিন। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তিনি এ স্বীকারোক্তি প্রদান করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘আবরার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনার সঙ্গে তার নিজের জড়িত থাকাসহ জড়িত অপর আসামিদের নাম প্রকাশ করেছেন।’

গত ৮ অক্টোবর রবিনসহ ১০ আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এনিয়ে মামলাটিতে পাঁচজন আসামি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন। অপর চারজন হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, উপসমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররেফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন ও ছাত্র মো. মুজাহিদুর রহমান।

এছাড়া মামলাটিতে রিমান্ড শেষে কারাগরে রয়েছেন, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, কর্মী মুনতাসির আল জেমি, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইসাতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও মিজানুর রহমান। 

রিমান্ডে রয়েছেন, বুয়েট ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, বুয়েটের শিক্ষার্থী শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, সাসছুল আরেফিন রাফাত  ও হোসেন মোহাম্মাদ তোহা।

প্রসঙ্গত, আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। তিনি থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলার ১০১১ নম্বর কক্ষে। গত ৬ অক্টোবর একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে তাকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়। রাত ৩টার দিকে হল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

advertisement