advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গাজীপুরে শিশু ও সিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণ

আমাদের সময় ডেস্ক
১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৪
advertisement

গাজীপুরের শ্রীপুরে শিশু ও সিলেটের ওসমানীনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহীর পুঠিয়ায় শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক শিক্ষক। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

শ্রীপুর : গাজীপুরের শ্রীপুরে মুখ বেঁধে সাড়ে চার বছরের ভাতিজিকে ধর্ষণের ঘটনায় আজিজুল হক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। গুরুতর অবস্থায় মেয়েটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে পুলিশ আজিজুল হককে বেতঝুড়ি গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই গ্রামের ছফির উদ্দিনের ছেলে। গত মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায়। মেয়েটির বাড়ি পাশের একটি গ্রামে। তার মা-বাবা দুজনই পাশের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক।

ওসমানীনগর : সিলেটের ওসমানীনগরে এক হতদরিদ্র পরিবারের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইজাজুলকে গত মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করে ওসমানীনগর থানাপুলিশ। এর আগে মেয়েটির মামা ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। ইজাজুল উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুকাপন গ্রামের সাদেক উল্যার ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় মেয়েটি তার ঘরের পেছনে যায়। এ সময় প্রতিবেশী ইজাজুল তার মুখ চেপে ধরে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি তার স্বজনদের বিষয়টি জানায়। ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন জানান, ইজাজুলকে গতকাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুঠিয়া : রাজশাহীর পুঠিয়ায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ মাজেদুর রহমান নামের এক শিক্ষককে আটক করে পুঠিয়া থানাপুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বাশ্বের ইউনিয়নের রঘুরামপুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাজেদুর রহমান রঘুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ওই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রহমতউল্লার ছেলে। গত ৫ অক্টোবর বিদ্যালয় ছুটির পর তিনি এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে জানা যায়। গতকাল তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

advertisement