advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ

মুন্সীগঞ্জ ও লৌহজং প্রতিনিধি
১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০২
advertisement

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০২১ সালের জুন-জুলাইয়ের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে। মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৪ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ। মূল সেতুর সব পিলারের পাইল ড্রাইভের কাজ শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪২ পিলারের মধ্যে সমাপ্ত হয়েছে ৩২টির কাজ।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার দোগাছি পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-১ এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চীন থেকে মাওয়ায় এ পর্যন্ত ৩১টি স্প্যান এসেছে। যার মধ্যে ১৪টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে পিলারের ওপর। ১৫তম স্প্যান জাজিরা প্রান্তে ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলারের ওপর স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া চারটি স্প্যান কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ও ১০টি স্প্যান পদ্মার চর এলাকায় আছে স্থাপনের অপেক্ষায়। পদ্মার মতিগতি ও মন মেজারের ওপর নির্ভর করবে স্প্যান বসবে কবে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আবদুল কাদের, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম প্রমুখ।

সেতুমন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতুর রেলওয়ের জন্য ২ হাজার ৯৫৯টি প্রি-কাস্ট সøাব প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৯১টি সøাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। নভেম্বর মাসের দিকে বাকি সøাব তৈরির কাজ শেষ হবে। ইতোমধ্যে ৩৬১টি রেলওয়ে সøাব স্থাপন করা হয়েছে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে ভায়াডাক্টের পাইলিং পিয়ার ক্যাপের কাজ শেষ। বর্তমানে গার্ডার ও রেলওয়ে সøাব স্থাপনের কাজ চলছে। মাওয়া ও জাজিরায় ভায়াডাক্টের জন্য ৪৩৮টি সুপার টি গার্ডার প্রয়োজন হবে। যার মধ্যে ১৫৫টি গার্ডারের কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ৫৬টি জাজিরা প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে। রেলওয়ে ভায়াডাক্টের জন্য ৮৪টি আই গার্ডারের কাজ হয়ে গেছে। এর মধ্যে ৪২টি গার্ডার স্থাপন করা হয়েছে জাজিরায়। মূল সেতুর কাজের চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৯ হাজার ২০১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। নদীশাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৬৩ শতাংশ ও আর্থিক অগ্রগতি ৫০.৪০ শতাংশ। মোট ১৪ কিলোমিটার নদীশাসন কাজের মধ্যে ০৬.৬০ কিলোমিটার শেষ হয়েছে। নদীশাসন কাজের চুক্তিমূল্য ৮৭০৭.৮১ কোটি টাকা। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ব্যয় ৪৩৮৮.৪৬ কোটি টাকা। সংযোগ সড়কের কাজের অগ্রগতি শতভাগ সম্পন্ন। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আজকে আমাদের সেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি এমইও স্বাক্ষরিত হওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। জাজিরা প্রান্তে আধুনিক ও উন্নতমানের মিলিটারি ফার্ম স্থাপন করা হবে। এর জন্য সব মিলিয়ে ৫৯ একর জমি প্রয়োজন হবে। সেতু মন্ত্রণালয় এমইও মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এই জমি হস্তান্তর করবে। সেখানে দুধ আর মাংস উৎপাদন হবে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া এটি গবাদি প্রাণীর প্রজনন ও জাত উন্নয়নের মাধ্যমেও অর্থনীতি তথা জিডিপিতে ভূমিকা রাখবে।

advertisement