advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাইফের সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

শ্রীলংকা সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ জয়ের নায়ক ছিলেন সাইফ হাসান। সেবার তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১১৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন এ ওপেনার। এবার জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলতে নেমে আরেকটি সেঞ্চুরি উপহার দিলেন সাইফ। ঢাকার হয়ে ১২০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেললেন তিনি। সাইফের সেঞ্চুরির দিনে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬৩ রানের ইনিংস খেলে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬ হাজার রান সংগ্রহের মাইলফলক স্পর্শ করলেন রিয়াদ। এ রেকর্ড ছুঁতে ১১ রান দূরে ছিলেন তিনি। এ নিয়ে ১০৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে তার সংগ্রহ দাঁড়াল ৬ হাজার ৫২ রান। অপর ম্যাচে ৪ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখালেন মিরাজ। ১৫ ওভার বোলিং করে ২ উইকেট শিকার করেন ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু প্রথম দিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। ইনজুরির কারণে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে খেলতে পারছেন না তামিম ইকবাল।

ঢাকা-রংপুর : চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সাইফের সেঞ্চুরিতে দিনশেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩১৪ রান তোলে ঢাকা। রনি তালুকদার ও আবদুল মজিদ ৬৬ রানের সূচনা এনে দেন। মজিদ ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে না পারলেও সাইফ ও রনির ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় ঢাকা। রনি ৬৫ রান করে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে ১২৭ রানের জুটি গড়েন সাইফ ও রকিবুল। ১৭৩ বলে ১৩ চার ও ৩ ছক্কার সাহায্যে ১২০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন সাইফ। ৫৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন রকিবুল। রংপুরের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট পান সোহরাওয়ার্দী শুভ।

খুলনা-রাজশাহী : খুলনায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬১ রানেই গুটিয়ে যায় রাজশাহীর ইনিংস। মোস্তাফিজ, রুবেল ও মিরাজের ধারালো বোলিংয়ে এলোমেলো হয়ে যায় তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মোস্তাফিজ ১৫ ওভার বোলিং করেন। ৬৪ রান দিয়ে ২ উইকেট পান। মিরাজ ২১.৩ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন। ১২ ওভারে ৫১ রান দিয়ে ২ উইকেট পান রুবেল। হতাশায় পুড়েছেন মুশফিক। আল-আমিনের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হওয়ার আগে ২৪ রান করেন তিনি। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ রান করে আউট হন। রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস খেলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী।

ঢাকা মেট্রো-সিলেট : বগুড়ায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৪৬ রানে অলআউট হয়েছে ঢাকা মেট্রো। ইনিংসের শুরু থেকে বিপর্যয়ে পড়া দলটিকে টেনে নেন মাহমুদঊল্লাহ ও শহিদুল ইসলাম। ১০৮ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। শহিদুলের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। সিলেটের হয়ে বোলিংয়ে নজর কাড়েন ডানহাতি পেসার রেজাউর রহমান। ঢাকার মেট্রোর ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলেন ২০ বয়সী এ বোলার। ১৯ ওভারে ৭৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। অলক কাপালি ও এনামুল হক জুনিয়র ২টি করে উইকেট শিকার করেন। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে এক উইকেট হারিয়ে ৫ রান তোলে সিলেট।

চট্টগ্রাম-বরিশাল : ফতুল্লায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রাম দিনশেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৬১ রান সংগ্রহ করে। ইনজুরিতে পড়ায় এ ম্যাচে চট্টগ্রামের হয়ে খেলছেন না তামিম। তামিমের অনুপস্থিতিতে এ ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি অধিনায়ক মুমিনুল। ব্যক্তিগত ১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। মাহিদুলের অপরাজিত ৬৯, ইয়াসির আলীর ৬৮, ইরফান শুক্কুরের ৫৭ রানের সুবাদে বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে চট্টগ্রাম। বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট পান মনিরুল ইসলাম।

advertisement