advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়লেও ব্যাংক দুর্বল -আইএমএফের পর্যালোচনা

২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২১
advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ভালো হলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ কথা বলেন। এতে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে আইএমএফের এশীয় প্যাসিফিকের ডিরেক্টর চ্যা ওং রি, ওড পার ব্রেখ, ডেপুটি ডিরেক্টর আন্নি মারি গুল্ড ওলফ, কেনেথ ক্যাং, জোনাথাক অস্ট্রি ও তথ্য কর্মকর্তা কিকো উটসুনোমিয়া উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে বাংলাদেশ গত অর্থবছরে ৭ শতাংশের বেশি জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি করেছে। আর আইএমএফের মতে চলতি অর্থবছরে ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এখানকার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তারল্য সংকটের জন্য ঋণ প্রদান করতে পারছে না। যার কারণে দেশের আমদানি রপ্তানিও ব্যাহত হচ্ছে। প্রথম দুই মাসে দেশের অর্থনীতির অবস্থা নিম্নগতি ছিল আইএমএফের পূর্বাভাসের তুলনায়। তা হলে কি সমস্যা রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে?

এর উত্তরে বলা হয় বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছি চলে গেছে। যেটা সেখানকার অঞ্চল তো বটেই সারা বিশ্বের মধ্যেও অন্যতম। মূলত রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের এত উন্নতি হচ্ছে। আর তৈরি পোশাক সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবে এখনে সবচেয়ে বেশি সমস্যা রয়েছে এখানকার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থিতিশীল অবস্থা আনা জরুরি। বেশি খেলাপি ঋণের কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকিতে আছে। বর্তমানে অন্য কোনো ঝুঁকি না থাকার কারণে যদি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান করতে পারে তা হলে উদ্যোক্তারা অর্থনীতিতে আরও ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অত্যন্ত ভালো অবস্থানে থাকলেও আর্থিক কাঠামোর দুর্বলতা অতিদ্রুত সংশোধন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, চলতি বছর এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ আর ২০২০ সাল নাগাদ তা ৫.১ শতাংশ হবে। যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম। এখানে চীনের প্রবৃদ্ধি ৬.১ থেকে কমে গিয়ে ৫.৮ শতাংশ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর অন্যতম উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে ভারতের প্রবৃদ্ধি ৬.১ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত হবে। আর আসিয়ানভুক্ত দেশের প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ থেকে ৪.৮ শতাংশ হবে।

advertisement