advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চট্টগ্রামে দুই মার্কেটের ১২০ দোকান পুড়ে ছাই

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২১
advertisement

নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে গতকাল সন্ধ্যায় উদ্বোধন করা হয়েছে শেখ কামাল ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। এ উপলক্ষে প্রায় আড়াই হাজার গেঞ্জি প্রিন্ট করেছিলেন জালালাবাদ মার্কেটের দোকানি মো. ইয়াছিন। গতকাল শনিবার সকালে গেঞ্জিগুলো সরবরাহের কথা ছিল। কিন্তু তার আগে ভোরেই আগুনে সবগুলো গেঞ্জিই পুড়ে গেছে। আগুনে এই মার্কেটের ৯৫টি দোকান পুড়ে গেছে। একইভাবে জহুর হকার্স মার্কেটে পুড়ে গেছে আরও ২৫টি দোকান। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টায় আগুনের খবর পেয়ে চারটি স্টেশনের ১৫টি গাড়ি ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে জহুর হকার্স মার্কেটের ২৫টি এবং জালালাবাদ মার্কেটের ৯৫টি দোকান পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আগুনের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে কাজ করছে।

অগ্নিকা-ের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি ব্যাংকের ঋণ নিয়ে যাতে সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন জানান, জালালাবাদ ও হকার্স মার্কেটের প্রায় ১২০টি দোকানের পণ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। এসব দোকানে কম্বল, বেডশিট, আয়রন, অ্যামব্রয়ডারি, রেডিমেড গার্মেন্ট ও শার্ট ছিল।

জালালাবাদ মার্কেটের হাজী এম হোসেন দোকান মালিক মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, তার ৩০ লাখ টাকার বেডশিট, পর্দা, লেপ-তোশকের কাপড় পুড়ে গেছে।

চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন আমাদের সময়কে বলেন, খবর পেয়ে নগরীর চারটি স্টেশনের ১৫টি গাড়ি ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

শেখ কামাল ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সাধারণ দর্শকদের জন্য গেঞ্জি তৈরি করেছিল সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, ফুটবল টুর্নামেন্টের অন্যতম স্পন্সর সাইফ পাওয়াটেক। তাই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রায় আড়াই হাজার গেঞ্জি প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু খেলা শুরুর আগেই সবগুলো আগুনে পুড়ে গেছে। আরও কিছু গেঞ্জি তৈরির চেষ্টা করছি।

advertisement