advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লিটন-নাঈমের সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২২
advertisement

- বিধ্বংসী আল-আমিন -

-ছন্দে মোস্তাফিজ -

- সেঞ্চুরির অপেক্ষায় মাহমুদউল্লাহ -

- নুরুল হাসানের আক্ষেপ -

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলার পর জাতীয় লিগে ফিরেই জ্বলে উঠলেন লিটন দাস। ১২২ রানের অনবদ্য ইনিংস উপহার দিলেন রংপুরের এই ওপেনার। ভারত সফরের আগে সেঞ্চুরির ইনিংস খেলে বার্তা দিয়ে রাখলেন লিটন। একই ম্যাচে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ২৭তম সেঞ্চুরি পেলেন নাঈম ইসলাম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক তুষার ইমরান (২৮টি)। তাকে ছুঁতে আর মাত্র একটি সেঞ্চুরি দরকার নাঈমের। রংপুরের এ ব্যাটসম্যান গতকাল দিনের খেলা শেষে ১২৪ রানে অপরাজিত থাকেন। অপর ম্যাচে মাত্র ৩ রানের জন্য তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পাননি নুরুল হাসান সোহান। মুশফিকুর রহিম ৪৪ রান করে আউট হয়েছেন। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও আলো ছড়াচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। ঢাকা মেট্রোর এ অলরাউন্ডার দিনের খেলা শেষে ৯৫ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে বোলিংয়ে ছন্দে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম ইনিংসে ১৫ ওভার বোলিং করে ২ উইকেট পেয়েছিলেন। গতকাল ৮ ওভার বোলিং করে ১৮ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন এ বাঁহাতি পেসার। সাড়ে তিন বছর পর বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পাওয়া পেসার আল-আমিন ৪ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান।

ঢাকা-রংপুর : চট্টগ্রামে গতকাল ম্যাচের তৃতীয় দিন ছিল লিটন ও নাঈম ইসলামের। এ দুজনের সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের পথে রংপুর। দিনশেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রান তোলে দলটি। ৮ উইকেটে ৫৫৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিল ঢাকা। ভালো জবাব দিচ্ছে রংপুরও। আগের দিন ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন। এ ইনিংসকে সেঞ্চুরিতে রূপ দেন। ১৮৯ বল খেলে ১৪টি চারের সাহায্যে ১২২ রানে গিয়ে থামেন এ ওপেনার। লিটন সাজঘরে ফিরলেও নাঈমের উইকেট তুলে নিতে পারেনি ঢাকার বোলাররা। ২৯৬ বল খেলে ১২টি চার ও একটি ছক্কায় অপরাজিত ১২৪ রান করেন নাঈম। তানভীর হায়দার ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। ঢাকার পক্ষে সুমন খান ও সালাউদ্দিন ২টি করে উইকেট পান।

রাজশাহী-খুলনা : তৃতীয় দিন ৩০৯ রানে গুটিয়ে যায় খুলনার প্রথম ইনিংস। সঙ্গীর অভাবে মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি নুরুল হাসান সোহান। ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পান শফিউল। জবাবে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে আল-আমিন, রাজ্জাক ও মোস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা। ১৭০ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন শান্ত। নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রান করে আউট হন মুশফিক। ৪টি করে উইকেট পান রাজ্জাক ও আল-আমিন। ২টি উইকেট নেন মোস্তাফিজ। জয়ের জন্য ১২৩ রানের লক্ষ্য পায় খুলনা। দিনের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ১৫ রান তোলে দলটি।

ঢাকা মেট্রো-সিলেট : বগুড়ায় মাহমুদউল্লাহর ব্যাটেই দ্বিতীয় ইনিংসে এগিয়ে যায় ঢাকা মেট্রো। দিনশেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান তোলে দলটি। এতে ১৫২ রানের লিড পায় তারা। মাহমুদউল্লাহ ৯৫ রানে অপরাজিত থাকেন। আজ চতুর্থ দিন সেঞ্চুরি পেতেই মাঠে নামবেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। সিলেটের পক্ষে ২টি করে উইকেট পান এনামুল হক জুনিয়র ও ইমরান আলী।

চট্টগ্রাম-বরিশাল : ফতুল্লায় ৪ উইকেটে ১০৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বরিশাল। তাদের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২১৬ রানেই। মোসাদ্দেক নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান আসে নুরুজ্জামানের ব্যাট থেকে। ২১ রান করেন আশরাফুল। চট্টগ্রামের পক্ষে নাঈম হাসান সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পান। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে এক উইকেট হারিয়ে ৫০ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।

advertisement