advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দেশকে শীর্ষ পঞ্চাশে নেওয়ার লক্ষ্য জয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা ও ময়মনসিংহ
২১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১৯
advertisement

জাতিসংঘের ই-গভর্নেন্স উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ ৫০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমানে ইনডেক্সের ১১৫ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। গত কয় বছরে ৪০-৫০ ধাপ এগিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরে সেরা পঞ্চাশের মধ্যে আসতে চাই আমরা। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’ গতকাল রবিবার সকালে রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান রিপোর্ট প্রকাশ ও এটুআইয়ের তিনটি নাগরিক সেবা উদ্বোধন করতে এসে এ আশাবাদ প্রকাশ করেন জয়।

জাতিসংঘের ২০১৮ সালের সার্ভে প্রতিবেদনে, ই-গভর্নেন্স ডেভেলপমেন্ট সূচকে ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। এ সূচকে সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ডেনমার্ক ও সর্বনিম্নে সোমালিয়া। দুই বছর পরপর এ জরিপ চালানো হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার ১০ বছর পর ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘তখন কোনো কিছুই ডিজিটাইজড হয়নি। আইসিটির ফান্ডামেন্টাল ডিজিটাল সার্ভিস, ডেটাবেস, স্থাপনা কিছু হয়নি। ১০ বছর আগে করলে তা অফলদায়ী চর্চাই হতো।’

বিগত যে কোনো সময়ের তুলনায় দেশের আইটি সিস্টেম বর্তমানে অনেক আধুনিক দাবি করে জয় বলেন, ‘ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড সেবা পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। প্রায় সব শহরেই রয়েছে ফোরজি সেবা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ৩০০টি পৌরসভায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে চায়।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক এ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ডিজিটাল মিউনিসিপ্যালিটি সার্ভিসে আমরা আরও অনেক সেবা যোগ করতে চাই। ২০২১ সালের মধ্যে নাগরিক সেবাগুলো মোবাইল ফোনে আঙুলের ছোঁয়ায় অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে আমরা নাগরিক সেবাগুলো পৌঁছে দিতে চাই।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘দুই বছরের মধ্যে আইসিটি বিভাগ ৪০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি করবে। তাদের জন্য ৬ মাস থেকে এক বছরমেয়াদি প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। স্কুলপর্যায়ের শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তিজ্ঞানে দক্ষ করতে ২০২১ সালের মধ্যে ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ইউকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করবে আইসিটি বিভাগ।’

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ সিটির ৫ সেবা : এখন থেকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) এবং দেশের নয়টি পৌরসভায় ডিজিটাল অটোমেশন পদ্ধতিতে নাগরিক সেবা দেওয়া হবে।

গতকাল রবিবার ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এ কর্মসূচির আওয়াতায় এখন থেকে ময়মনসিংহ সিটির পাঁচ সেবাÑ হোল্ডিং ট্যাক্স, ওয়াটার বিলিং সার্ভিসেস, সিটি করপোরেশন সার্টিফিকেট সার্ভিসেস, অটোমেটেড প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস, ই-ট্রেড লাইসেন্স সার্ভিসেস অনলাইনে মিলবে।

প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত হু কং-ইল, মসিক মেয়র ইকরামুল হক টিটু। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হন জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক একেএম গালিভ খান, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মিঞা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচকে দেবনাথ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা অসীম কুমার সাহা, নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর দীপক মজুমদারসহ স্থানীয় কাউন্সিলররা।

advertisement